৩০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে, গ্রিন কার্ড সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক ভারতীয় নারী
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় তিন দশক ধরে বসবাস করা ৬০ বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী বাব্বলজিৎ কৌড় ওরফে বাবলিকে গ্রিন কার্ডের চূড়ান্ত ধাপের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় তিন দশক ধরে বসবাস করা ৬০ বছর বয়সী ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী বাব্বলজিৎ কৌড় ওরফে বাবলিকে গ্রিন কার্ডের চূড়ান্ত ধাপের সাক্ষাৎকারে গিয়ে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।
চলতি ডিসেম্বরের ১ তারিখ বায়োমেট্রিক স্ক্যানের জন্য ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কার্যালয়ে হাজির হলে ফেডারেল এজেন্টরা তাঁকে আটক করেন।
বাবলির মেয়ে জ্যোতি জানান, সাক্ষাৎকারের অপেক্ষায় থাকাকালে কয়েকজন এজেন্ট ভবনে ঢুকে তাঁকে একটি কক্ষে নিয়ে যায় এবং গ্রেপ্তারের কথা জানায়। আইনজীবীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলেও তাঁকে আটক রাখা হয়। পরিবারের সদস্যদের কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত জানানো হয়নি তাঁকে কোথায় নেওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে রাতারাতি অ্যাডেলান্টো আইসিই ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের তথ্যে জানা যায়, বাবলির আরেক মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং তাঁর জামাই গ্রিন কার্ডধারী। তাঁদের পিটিশনের ভিত্তিতে বাবলির গ্রিন কার্ড আবেদন ইতিমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পাশাপাশি তিনি লং বিচের বেলমন্ট শোর এলাকায় দুই দশকের বেশি সময় একটি জনপ্রিয় ভারতীয়-নেপালি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেছেন এবং প্রায় ২৫ বছর একটি ফার্মেসিতে কাজ করেছেন।
বাবলির মুক্তির দাবি জানিয়েছেন লং বিচের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তাঁর কার্যালয় জানায়, বিষয়টি নিয়ে ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। পরিবারও আইনগত প্রক্রিয়ায় জামিনের আবেদন প্রস্তুত করছে।
ডিটেনশন সেন্টারের পরিবেশকে ‘অমানবিক’ উল্লেখ করে জ্যোতি বলেন, “এটা এক দুঃস্বপ্ন। আমরা তাঁকে বের করে আনার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি