নির্বাচনের আগে বেড়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা; জানুয়ারিতে নিহত ১১, আহত ৬১৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার মাত্রা ততই উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

Feb 3, 2026 - 11:17
নির্বাচনের আগে বেড়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা; জানুয়ারিতে নিহত ১১, আহত ৬১৬

জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতার মাত্রা ততই উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন সালিশ কেন্দ্র (আসক) সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।

মঙ্গলবার আসকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রাজনৈতিক সহিংসতার ১৮টি ঘটনায় ২৬৮ জন আহত এবং জন নিহত হন। পরের মাস ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়। ওই মাসে সহিংসতার ঘটনা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৫টিতে, এতে আহত হন ৬১৬ জন এবং নিহত হন ১১ জন।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এবং ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর সংঘর্ষের সংখ্যা তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। শুধু ২১ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যেই ৪৯টি রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যাতে ৪১৪ জন আহত এবং জন নিহত হন। আসকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, সহিংসতার প্রবণতাও তত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার চিত্রও তুলে ধরছে আসক। সংস্থাটি জানায়, ডিসেম্বরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ১১ জন সাংবাদিক বাধা বা হামলার শিকার হন। জানুয়ারিতে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ জনে।

দেশের ক্রমবর্ধমান এই সহিংস পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আসক। সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সহনশীলতা সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকের জীবন ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থাটি।

ডালাস বার্তা প্রতিবেদক