বাণিজ্যিক ইন্টারনেট তারে কোয়ান্টাম সংকেত পাঠাল নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, ফিডেলিটি ৯৪ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক ইন্টারনেট ট্র্যাফিকবাহী ফাইবার-অপটিক তারের মধ্য দিয়ে সফলভাবে কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কোয়ান্টাম জোড়া সংকেত পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক ইন্টারনেট ট্র্যাফিকবাহী ফাইবার-অপটিক তারের মধ্য দিয়ে সফলভাবে কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কোয়ান্টাম জোড়া সংকেত পাঠাতে সক্ষম হয়েছেন।
গবেষণাটি গত ২২ জুলাই বিজ্ঞান জার্নাল অপটিকা কোয়ান্টামে প্রকাশিত হয়। নর্থওয়েস্টার্নের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক প্রেম কুমারের নেতৃত্বে এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
ইভানস্টনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে শিকাগোর ডাউনটাউনের স্টারলাইট সুবিধাকেন্দ্র পর্যন্ত ২৪ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বাণিজ্যিক ফাইবার তারে দুটি ৮০০ গিগাবিট-প্রতি-সেকেন্ড ইন্টারনেট চ্যানেলের পাশাপাশি কোয়ান্টাম সংকেত পাঠানো হয়। পরিমাপে দেখা যায়, কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্টের মান ৯৪ শতাংশেরও বেশি অক্ষুণ্ণ ছিল।
গবেষক দল কোয়ান্টাম সংকেতকে অপটিক্যাল ও-ব্যান্ডে এবং প্রচলিত ইন্টারনেটকে সি-ব্যান্ডে পাঠিয়ে দুটিকে আলাদা রাখেন। পাশাপাশি পিকোসেকেন্ড মাত্রার নির্ভুল সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই প্রান্তের নোডকে সিঙ্ক্রোনাইজ করা হয়।
এই সাফল্য প্রমাণ করে যে ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম ইন্টারনেট নতুন পরিকাঠামো না গড়েও বিদ্যমান ফাইবার-অপটিক নেটওয়ার্কে চলতে পারবে। পরবর্তী ধাপে গবেষণা দলটি বাস্তব টেলিকম নেটওয়ার্কে দুটি দূরবর্তী নোডের মধ্যে কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন প্রদর্শনের পরিকল্পনা করছে।
সূত্র: নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি