ডেঙ্গু ও হামে বাংলাদেশে একদিনে ১০ হাজারের বেশি ভর্তি, হাসপাতালে ঠাঁই নেই
ডেঙ্গু ও হামের একযোগে প্রকোপে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে ধারণক্ষমতার বাইরে রোগী ভর্তি হচ্ছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার একদিনেই এই দুই রোগে ১০ হাজার ১২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ডেঙ্গু ও হামের একযোগে প্রকোপে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে ধারণক্ষমতার বাইরে রোগী ভর্তি হচ্ছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার একদিনেই এই দুই রোগে ১০ হাজার ১২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওইদিন ৫ হাজার ৯৫৫ জন হাম ও ৪ হাজার ১৬৬ জন ডেঙ্গুতে ভর্তি হন। অর্থাৎ সেদিন দেশের প্রতি ১৬টি হাসপাতাল শয্যার মধ্যে একটি এই দুই রোগের রোগীর দখলে ছিল।
সেপ্টেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহে হামে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৯৭৫ জন এবং ডেঙ্গুতে ২১ হাজার ৭০ জন। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ বা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গু সংক্রমণ সর্বোচ্চে পৌঁছাতে পারে।
রাজধানী ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত ১৯১টি শয্যার বিপরীতে মধ্য সেপ্টেম্বরে ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি ছিলেন। হাসপাতাল পরিচালক নন্দ দুলাল সাহা বলেন, কোনো রোগীকে ফেরানো হচ্ছে না, তবে এটি হাসপাতালে চাপ তৈরি করছে।
২০২৫ সালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালটি চলতি বছরের মার্চ মাসে হামের চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়। সংক্রমণ ঝুঁকির কারণে সেখানে এখন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না, যা ঢাকা মেডিকেলসহ অন্য হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়িয়েছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার