২০৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন করবে সরকার: তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন, চার হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক এবং চার হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। গ্যাস সংকট মোকাবিলায় দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খনন, চার হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার দ্বিমাত্রিক এবং চার হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। গ্যাস সংকট মোকাবিলায় দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সংসদে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের তারকা প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।
তারেক রহমান জানান, গত ২৪ মে ২৬টি অফশোর ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং নভেম্বরে দরপত্র গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত। স্থলভাগে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬ তৈরি করা হচ্ছে। দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বর্তমানে দৈনিক গড়ে ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে।
মহেশখালীর কুতুবজোমে একটি নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণকাজ চলছে, যেখান থেকে ২০২৮ সালে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাতারবাড়িতে একটি স্থলভিত্তিক টার্মিনাল ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। পায়রা বা মোংলা বন্দরে আরেকটি ভাসমান টার্মিনালের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।
ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করতে কমপক্ষে সাত বছর লাগবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই গ্যাস স্থানীয়ভাবে শিল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেখানে একটি সার কারখানা ও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার