ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলা, পাল্টা জর্দানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ধ্বংস করেছে, যেখানে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড হরমুজ প্রণালীতে মাইন নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পাল্টা হামলায় ইরান জর্দানে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ধ্বংস করেছে, যেখানে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড হরমুজ প্রণালীতে মাইন নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পাল্টা হামলায় ইরান জর্দানে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
গত ৩০ আগস্ট রোববার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানি বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে মাইন স্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে সীমিত ও নির্ভুল হামলা চালানো হয়। জুলাইয়ের শেষের পর এটিই ইরানের ওপর প্রথম প্রকাশ্য মার্কিন হামলা।
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হামলায় বেশ কয়েকজন সৈনিক ও নাগরিক হতাহত হয়েছে বলে জানিয়েছে। পাল্টা হামলায় আইআরজিসি পানিশমেন্ট অব দ্য অ্যাগ্রেসর নামে জর্দানের কিং হুসেইন ও আল আজরাক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। জর্দান আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্ট করেছে বলে জানিয়েছে এবং কোনো হতাহতের খবর নেই।
পরদিন সোমবার আইআরজিসি হরমুজ প্রণালীর ওপর একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান যুদ্ধ চায় না, তবে কোনো আগ্রাসনের মুখে চুপ থাকবে না।
এই হামলা মার্কিন-ইরান সামরিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায়। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধ সপ্তম মাসে চলছে এবং ওয়াশিংটন বোমা হামলা থেকে আর্থিক চাপের কৌশলে যাচ্ছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ ও কোম্পানির বিরুদ্ধে সেকেন্ডারি স্যাংশনের হুমকি দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা ও সিএনএন