মিনেসোটায় গির্জা ও লাইব্রেরিতে গোপনে নজরদারি চালিয়েছে ডিএইচএস, আদালতে নথি ফাঁস

আইসিই বিরোধীদের একটি মামলায় আদালতে জমা দেওয়া নথিতে প্রকাশ পেয়েছে যে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের গোয়েন্দারা মিনেসোটার গির্জা, লাইব্রেরি ও রেস্তোরাঁয় মাসের পর মাস গোপনে তথ্য সংগ্রহ করেছে।

Aug 26, 2026 - 08:31
মিনেসোটায় গির্জা ও লাইব্রেরিতে গোপনে নজরদারি চালিয়েছে ডিএইচএস, আদালতে নথি ফাঁস
উইকিমিডিয়া কমন্স

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের গোয়েন্দারা মিনেসোটায় অভিবাসন প্রয়োগের সময় গির্জা, লাইব্রেরি ও রেস্তোরাঁয় গোপনে সভায় অংশ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে আদালতে জমা দেওয়া নথিতে প্রকাশ পেয়েছে।

এনপিআর জানায়, আইসিই বিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে চলমান একটি ষড়যন্ত্র মামলায় গত ২৫ আগস্ট আদালতে এই নথি জমা দেওয়া হয়। নথি অনুযায়ী, একজন গোপন সরকারি এজেন্ট গত ফেব্রুয়ারিতে মিনেসোটার রোজভিলের প্রিন্স অব পিস লুথেরান চার্চে একটি সভায় যোগ দিয়ে সদস্যদের গাড়ির নম্বরপ্লেট রেকর্ড করে এবং তাঁদের নাম, ঠিকানা ও পেশাগত তথ্যসম্বলিত ডসিয়ার তৈরি করে।

নথিতে আরও বলা হয়, মাসের পর মাস ধরে গোপন এজেন্টরা টুইন সিটি এলাকার গির্জা, লাইব্রেরি, রেস্তোরাঁ ও স্কুলে অনুষ্ঠিত সভায় গোপনে রেকর্ডিং করেছে। এজেন্টরা বেসরকারি গ্রুপ চ্যাটে অনুপ্রবেশ করে এবং জাতীয় শ্রমিক সংগঠনের আর্থিক তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছে। মিনিয়াপোলিসের ইউনিভার্সিটি ব্যাপটিস্ট চার্চে গত মে মাসে একটি আত্মরক্ষা ক্লাসেও ওয়্যার পরে এজেন্ট অংশ নিয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

কোনো অপরাধে অভিযুক্ত নন এমন ব্যক্তিদের ওপরও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের রাচেল লেভিনসন-ওয়ালডম্যান বলেছেন, এই নজরদারির পরিধি ও গভীরতা তাঁকে চমকে দিয়েছে এবং সরকারি সম্পদ কতটুকু ব্যবহার হয়েছে তা রীতিমতো অবাক করার মতো।

প্রিন্স অব পিস চার্চের ভারপ্রাপ্ত পাদরি স্টিভ সিলভেস্টার বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি মনে করেন যেন ১৯৫০-এর দশকের পূর্ব ইউরোপে আছেন। অভিবাসন প্রয়োগ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পরিচালিত এই নজরদারি অভিযান এখন ফেডারেল আদালতে চলা মামলার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

সূত্র: এনপিআর