আইসিই বন্দীদের অভিযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, তদারকিহীন আটকে হাজারো অভিবাসী
মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই) বন্দীদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। এনপিআরের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে আইসিই-এর তত্ত্বাবধান কাঠামো থেকে একাধিক সুরক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করার পর এটাই এখন বন্দীদের জন্য শেষ অবলম্বন ছিল।
মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই) বন্দীদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। এনপিআরের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে আইসিই-এর তত্ত্বাবধান কাঠামো থেকে একাধিক সুরক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করার পর এটাই এখন বন্দীদের জন্য শেষ অবলম্বন ছিল।
এনপিআর গত ২০ আগস্ট বুধবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ ব্যবস্থা মূলত বন্দীরা যাতে মিসট্রিটমেন্ট, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চনা বা যৌন নিপীড়নের বিষয়ে নিরাপদে অভিযোগ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে আইসিই-এর হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ড সংখ্যায় পৌঁছেছে, যা কমপক্ষে ৫৩ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিযোগ ব্যবস্থার অকার্যকারিতা এই মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) এনপিআরের প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে। বেসরকারি ঠিকাদার কোরসিভিক ও জিইও গ্রুপের পরিচালিত বন্দী কেন্দ্রগুলোতে বিদ্যমান মানদণ্ড মানা হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ।
বন্দীদের ক্রমবর্ধমান অনশন ধর্মঘট ও বিক্ষোভকে বিশেষজ্ঞরা এই অভিযোগ ব্যবস্থার ব্যর্থতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত বলে মনে করছেন। ২০১১ সালের পারফরম্যান্স-ভিত্তিক জাতীয় বন্দী মানদণ্ড অনুযায়ী ব্যবস্থাটি পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও তা কার্যকর নেই।
সূত্র: এনপিআর