টেক্সাসে পরজীবীজনিত সাইক্লোস্পোরা রোগী বেড়ে ৯৮

টেক্সাসে সাইক্লোস্পোরা নামের একটি পরজীবী থেকে সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মঙ্গলবার জানিয়েছেন, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে পৌঁছেছে।

Jul 22, 2026 - 22:13
টেক্সাসে পরজীবীজনিত সাইক্লোস্পোরা রোগী বেড়ে ৯৮
উইকিমিডিয়া কমন্স

টেক্সাসে সাইক্লোস্পোরা নামের একটি পরজীবী থেকে সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মঙ্গলবার জানিয়েছেন, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই রোগের উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এই প্রাদুর্ভাবে দেশজুড়ে কয়েক হাজার মানুষ অসুস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। সাইক্লোস্পোরা সাধারণত দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এর প্রধান লক্ষণ হলো প্রচুর পরিমাণে পানির মতো পাতলা পায়খানা। সাধারণ পেটের ভাইরাসের ক্ষেত্রে উপসর্গ এক বা দুই দিনের মধ্যে কমে যেতে পারে। তবে সাইক্লোস্পোরার উপসর্গ সাধারণত দীর্ঘ সময় থাকে।

অন্য লক্ষণগুলোর মধ্যে পেটব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধা কমে যাওয়া, ক্লান্তি এবং শরীরে পানিশূন্যতা থাকতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে প্রস্রাব কমে যাওয়া, চোখ বসে যাওয়া এবং মাথার নরম অংশ নিচু হয়ে যাওয়া পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে।

নর্থ টেক্সাসের কুক চিলড্রেনস ও চিলড্রেনস হেলথ জানিয়েছে, তাদের হাসপাতালে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত সাইক্লোস্পোরা রোগী পাওয়া যায়নি। তবে চিকিৎসকেরা অভিভাবকদের শিশুদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী পাতলা পায়খানা ও পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কমিউনিটি ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল ডিস্ট্রিক্ট শিক্ষাবর্ষের প্রথম অন্তত তিন সপ্তাহ স্কুলের খাবার থেকে লেটুস ও অন্যান্য কাঁচা পাতাযুক্ত সবজি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চিকিৎসকেরা নিয়মিত হাত ধোয়া, ফল ও সবজি ভালোভাবে পরিষ্কার করা এবং সম্ভব হলে রান্না করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া যায় এমন ফলও তুলনামূলক নিরাপদ হতে পারে। এর আগে একটি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেক্সিকোর টেলর ফার্মসের কুচি করা আইসবার্গ লেটুসকে প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। পরে খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন জানায়, পরীক্ষার ফলটি ভুল ছিল। রোগের প্রকৃত উৎস শনাক্ত করতে তদন্ত এখনো চলছে।