ডিএনএ প্রযুক্তিতে ১৪ বছর পর আর্লিংটনের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার
নর্থ টেক্সাসের আর্লিংটনে ১৪ বছর আগে এক নারীকে হত্যার ঘটনায় আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তির সহায়তায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০১২ সালে ইরাসেমা শাভেজ নামের ওই নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে ৪২ বছর বয়সী মায়রা ভেলাসকেজের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
নর্থ টেক্সাসের আর্লিংটনে ১৪ বছর আগে এক নারীকে হত্যার ঘটনায় আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তির সহায়তায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০১২ সালে ইরাসেমা শাভেজ নামের ওই নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে ৪২ বছর বয়সী মায়রা ভেলাসকেজের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১২ সালের ২০ জানুয়ারি সকালে সাউথ কলিন্স স্ট্রিটের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ৩৩ বছর বয়সী শাভেজকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, তাঁকে শতাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
অপরাধস্থল পরীক্ষা করার সময় শোবার ঘরের একটি টেলিভিশন রাখার টেবিলে তাজা রক্তের একটি ফোঁটা পান তদন্তকারীরা। পরীক্ষায় দেখা যায়, রক্তটি শাভেজের নয়, অজ্ঞাত এক নারীর। নমুনা জাতীয় ডিএনএ তথ্যভান্ডারে রাখা হলেও তখন কারও সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি।
বছরের পর বছর বিভিন্ন তথ্য ও নজরদারি ক্যামেরার ভিডিও পরীক্ষা করেও হত্যাকারীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আর্লিংটন পুলিশ এফবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং মামলাটি বংশানুসন্ধানভিত্তিক ডিএনএ তদন্ত কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলে তদন্তকারীরা মায়রা ভেলাসকেজকে সম্ভাব্য সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করেন। পুলিশ জানায়, তিনি একসময় শাভেজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন এবং ঘটনাস্থলের কয়েক মাইলের মধ্যে বসবাস করতেন।
মে মাসে ভেলাসকেজের ফেলে দেওয়া আবর্জনা থেকে তাঁর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেন তদন্তকারীরা। পরীক্ষায় সেই নমুনার সঙ্গে ২০১২ সালে ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া রক্তের ডিএনএ মিলে যায়। পরে ১৬ জুলাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যার উদ্দেশ্য এখনো পরিষ্কার নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।