গর্ভাবস্থায় জরুরি গর্ভপাত না পেয়ে মৃত্যু, টেক্সাসের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা

টেক্সাসের গর্ভপাত নিষেধাজ্ঞার কারণে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে মারা যাওয়ার অভিযোগ তুলে এক নারীর পরিবার রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। টিয়েরা ওয়াকার নামের ওই নারী ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মারা যান। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর এবং তিনি ২০ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন।

Sep 17, 2026 - 19:08
গর্ভাবস্থায় জরুরি গর্ভপাত না পেয়ে মৃত্যু, টেক্সাসের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পরিবারের মামলা
উইকিমিডিয়া কমন্স

টেক্সাসের গর্ভপাত নিষেধাজ্ঞার কারণে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে মারা যাওয়ার অভিযোগ তুলে এক নারীর পরিবার রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। টিয়েরা ওয়াকার নামের ওই নারী ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মারা যান। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর এবং তিনি ২০ সপ্তাহের গর্ভবতী ছিলেন।

এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, মামলাটি মঙ্গলবার সান আন্তোনিওতে দায়ের করা হয়। বিবাদী হিসেবে নাম রয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটন, টেক্সাস মেডিকেল বোর্ড, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস হেলথ সায়েন্স সেন্টার অ্যাট সান আন্তোনিও এবং টিয়েরার চিকিৎসায় যুক্ত বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে টিয়েরা প্রি-এক্লাম্পসিয়ার উপসর্গ নিয়ে ইউনিভার্সিটি হেলথ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। প্রি-এক্লাম্পসিয়া উচ্চ রক্তচাপ ও অঙ্গ-বিকলতার একটি মারাত্মক জটিলতা এবং এর চিকিৎসায় সন্তান প্রসব করানো হয়। কিন্তু ২০ সপ্তাহে প্রসব করানো টেক্সাসে আইনত গর্ভপাত হিসেবে গণ্য।

মামলায় বলা হয়েছে, টিয়েরা বারবার গর্ভপাতের অনুরোধ করেন কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন গর্ভাবস্থা অব্যাহত রাখলে তিনি বাঁচবেন না। মামলার ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকরা বলেন "আপনার শিশু ঠিক আছে" এবং তাঁকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরিবারের আইনজীবীরা বলেছেন, গর্ভপাতের নিষেধাজ্ঞা চিকিৎসকদের মধ্যে চরম ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে।

টেক্সাস ২০২৪ সালে হার্টবিট আইনের মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের গর্ভপাত নিষিদ্ধ করে। এই আইনে ধর্ষণ, অজাচার বা ভ্রূণের অস্বাভাবিকতার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম নেই, তবে মায়ের জীবন ঝুঁকিতে থাকলে চিকিৎসক গর্ভপাত করাতে পারেন। টিয়েরা পেছনে রেখে গেছেন তাঁর স্বামী এবং এক কিশোর পুত্রসন্তান।

সূত্র: এনবিসি নিউজ