জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। অন্য দণ্ডিতরা হলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ এনান।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজন শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। অন্য দণ্ডিতরা হলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ এনান।
দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ৫৫৭ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ পড়ে শোনান। সাত মাস বিচার চলাকালে ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
কাদেরের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ছাত্রলীগকে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়া, জুলাই ১৭ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে গণহত্যা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়া এবং আগস্টের ৩ থেকে ৫ তারিখ সিস্টেমেটিক হামলার নির্দেশ দেওয়া। কাদের, আরাফাত, নাসিম, পরশ ও নিখিলের চলমান ও স্থাবর সম্পদের ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রায়ের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের কাছে একটি ক্রুড বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, সিসিটিভি ফুটেজে দুই সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। সুপ্রিম কোর্টে ১০০-এর বেশি তরুণ আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী নীরব প্রতিবাদ করেছেন।
বর্তমানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ। সব আসামি পলাতক থাকা অবস্থায় বিচার সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণআন্দোলনের সময় সারা দেশে এক হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান এবং ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার