নার্কোলেপ্সির কারণ আবিষ্কারে ডালাসের বিজ্ঞানীর লাসকার পুরস্কার জয়
ডালাসের ইউটি সাউদার্নওয়েস্টার্ন মেডিকেল সেন্টারের বিজ্ঞানী মাসাশি ইয়ানাগিসাওয়া এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমানুয়েল মিগনো যৌথভাবে ২০২৬ সালের আলবার্ট লাসকার বেসিক মেডিকেল রিসার্চ পুরস্কার পেয়েছেন। মস্তিষ্কে অরেক্সিন নামের রাসায়নিক আবিষ্কার ও নার্কোলেপ্সি রোগের সঙ্গে এর সম্পর্ক উদ্ঘাটনের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
ডালাসের ইউটি সাউদার্নওয়েস্টার্ন মেডিকেল সেন্টারের বিজ্ঞানী মাসাশি ইয়ানাগিসাওয়া এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমানুয়েল মিগনো যৌথভাবে ২০২৬ সালের আলবার্ট লাসকার বেসিক মেডিকেল রিসার্চ পুরস্কার পেয়েছেন। মস্তিষ্কে অরেক্সিন নামের রাসায়নিক আবিষ্কার ও নার্কোলেপ্সি রোগের সঙ্গে এর সম্পর্ক উদ্ঘাটনের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
ডালাস মর্নিং নিউজ জানিয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বায়োমেডিকেল পুরস্কার হিসেবে পরিচিত লাসকার পুরস্কারকে অনেকে আমেরিকার নোবেল বলে থাকেন।
১৯৯৯ সালে ইয়ানাগিসাওয়ার গবেষণাগারে অরেক্সিন জিন বাদ দিয়ে তৈরি ইঁদুরগুলোতে হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়ার লক্ষণ ধরা পড়ে। পরীক্ষায় দেখা যায়, সেগুলো জেগে থাকা অবস্থা থেকে সরাসরি গভীর আরইএম ঘুমে চলে যাচ্ছিল। এই আবিষ্কারের ভিত্তিতে গত আগস্টে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন নার্কোলেপ্সি চিকিৎসার প্রথম ওষুধ অনুমোদন দিয়েছে।
ইয়ানাগিসাওয়া ১৯৯১ সাল থেকে ২০ বছরেরও বেশি সময় ইউটি সাউদার্নওয়েস্টার্নে পূর্ণকালীন শিক্ষক ছিলেন। বর্তমানে তিনি আংশিক অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত এবং জাপানের সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটিভ স্লিপ মেডিসিনের পরিচালক।
গবেষকরা জানিয়েছেন, অরেক্সিন শুধু নার্কোলেপ্সি নয়, বিষণ্নতা ও আসক্তি চিকিৎসায়ও কার্যকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ থেকে সাত কোটি মানুষ ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন এবং প্রতি দুই হাজারে একজন নার্কোলেপ্সিতে আক্রান্ত।
সূত্র: ডালাস মর্নিং নিউজ