ইরানের হুমকিতে ন্যাটো সম্মেলনে গোপনে বিমান বদল করেন ট্রাম্প
তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে ফেরার সময় ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকিতে গোপনে বিমান বদল করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে ভিন্ন বিমানে উঠতে হয়েছিল।
তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে ফেরার সময় ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকিতে গোপনে বিমান বদল করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে ভিন্ন বিমানে উঠতে হয়েছিল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৮ জুলাই মঙ্গলবার আঙ্কারা বিমানবন্দরে টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন। এরপর বিমানের বিপরীত পাশ দিয়ে একটি ক্যাটারিং ট্রাকে করে তাঁকে গোপনে নামিয়ে একটি সি-৩২এ সামরিক বিমানে তোলা হয়।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ন্যাটো সম্মেলনস্থলের কাছে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ একজন ব্যক্তির উপস্থিতির তথ্য পেয়েছিল বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে। সিবিএস নিউজকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ইরানের পক্ষ থেকে বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিশ্বাসযোগ্য হুমকি ছিল।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মী জানতেনই না যে প্রেসিডেন্ট বিমানে নেই। তাঁদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা মূল বিমানেই ছিলেন।
যুক্তরাজ্যের আরএএফ মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে যাত্রাবিরতির সময় ট্রাম্প আবার মূল বিমানে ফেরেন। ঘটনাটি ঘটেছিল ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার একদিন পরে। সূত্র: বিবিসি