ভোটার তালিকায় অনাগরিক খুঁজছে ডিএইচএস, ১ হাজার ৬২০ মামলা তদন্তাধীন
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ৪৭টি রাজ্যের ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করছে, অনাগরিক ভোটার খুঁজে বের করতে। এই উদ্যোগ সরাসরি হোয়াইট হাউসের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে বলে রয়টার্সের দেখা একটি অভ্যন্তরীণ ই-মেইলে জানা গেছে।
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ৪৭টি রাজ্যের ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করছে, অনাগরিক ভোটার খুঁজে বের করতে। এই উদ্যোগ সরাসরি হোয়াইট হাউসের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছে বলে রয়টার্সের দেখা একটি অভ্যন্তরীণ ই-মেইলে জানা গেছে।
গত ১ সেপ্টেম্বরের ওই ই-মেইলে ডিএইচএস কর্মকর্তারা সহকর্মীদের পর্যালোচনার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। ডিএইচএস সচিব মার্কওয়েন মুলিন এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বর্তমানে ১ হাজার ৬২০টি মামলা তদন্তাধীন এবং প্রতিদিন এই তালিকা বাড়ছে।
ডিএইচএস তার "আনলফুল ভোটার ইনিশিয়েটিভ" কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শত শত কর্মকর্তাকে ভোটার তালিকা যাচাইয়ে নিয়োগ দিয়েছে। তালিকা যাচাইয়ে "অ্যাকুরিন্ট" নামের একটি বাণিজ্যিক ডেটা ব্রোকারের কাছ থেকে কেনা তথ্যও ব্যবহার করা হচ্ছে।
সমালোচকরা বলছেন, এই অভিযান আইনি নাগরিকদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আস্থা নষ্ট করছে। রয়টার্সের জুলাই মাসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে অননুমোদিত ভোটের সংখ্যা পরিসংখ্যানগতভাবে নগণ্য।
১৯৯৬ সালে প্রণীত "ভোটিং বাই এলিয়েনস" আইনে ২০০০ সাল থেকে মাত্র ১২৯ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার প্রাথমিক দায়িত্ব ফেডারেল নয়, রাজ্য সরকারের।
সূত্র: রয়টার্স