রোবটের উৎপাদনশীলতা মাপতে নতুন মানদণ্ড আনল এজিবট
চীনের রোবোটিক্স প্রতিষ্ঠান এজিবট রোবটের প্রকৃত উৎপাদনশীল কাজ পরিমাপ করার জন্য নতুন একটি মানদণ্ড চালু করেছে। কোম্পানিটি এই মানদণ্ডের নাম দিয়েছে ওয়ার্কেন, যা ইংরেজি শব্দ ওয়ার্ক ও টোকেন মিলিয়ে তৈরি। এর মাধ্যমে রোবট কতটি তৈরি বা মোতায়েন হলো তার বদলে বাস্তব পরিবেশে কতটা কার্যকর কাজ করতে পারছে তা মাপার চেষ্টা করা হয়েছে।
চীনের রোবোটিক্স প্রতিষ্ঠান এজিবট রোবটের প্রকৃত উৎপাদনশীল কাজ পরিমাপ করার জন্য নতুন একটি মানদণ্ড চালু করেছে। কোম্পানিটি এই মানদণ্ডের নাম দিয়েছে ওয়ার্কেন, যা ইংরেজি শব্দ ওয়ার্ক ও টোকেন মিলিয়ে তৈরি। এর মাধ্যমে রোবট কতটি তৈরি বা মোতায়েন হলো তার বদলে বাস্তব পরিবেশে কতটা কার্যকর কাজ করতে পারছে তা মাপার চেষ্টা করা হয়েছে।
সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত এজিবট ইনোভেশন ডে ২০২৬ অনুষ্ঠানে গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার এই মানদণ্ড উন্মোচন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা পেং জিহুই অনুষ্ঠানে বলেন, রোবোটিক্স শিল্প হার্ডওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলে অনেক অগ্রগতি করেছে, এখন প্রশ্ন হলো রোবটগুলো কারখানা ও গুদামে কতটা কার্যকর কাজ দিচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংস্থাটি রোবট তৈরির সংখ্যার বদলে কাজের ফলাফলের ওপর গুরুত্ব দিতে চায়।
ওয়ার্কেন মানদণ্ডে তিনটি বিষয় একত্র করা হয়েছে, সক্রিয় রোবটের সংখ্যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার সময় এবং কাজের দক্ষতার অনুপাত। কোম্পানিটি জানিয়েছে, এই তিন উপাদান গুণ করে রোবটের প্রকৃত উৎপাদনশীলতা নির্ণয় করা সম্ভব। একই সংখ্যক রোবট মোতায়েন করা হলেও মানুষের হস্তক্ষেপ কম লাগলে এবং গৃহীত কাজের পরিমাণ বেশি হলে উৎপাদনশীলতা বেশি বলে বিবেচিত হবে।
একই অনুষ্ঠানে এজিবট তাদের তৃতীয় প্রজন্মের হিউম্যানয়েড হার্ডওয়্যার কাঠামো এএইচএ৩ উন্মোচন করেছে, যেখানে চলাফেরা, মিথস্ক্রিয়া ও কাজ সম্পাদনের সক্ষমতা একটি কাঠামোয় যুক্ত করা হয়েছে। কোম্পানিটি পরবর্তী প্রজন্মের এআই মডেল জিও থ্রি প্রিভিউ এবং শিল্প খাতের জন্য ভারী রোবট জি টু ম্যাক্স চালু করার কথাও জানিয়েছে। পাশাপাশি লিংক ইউ ওএস ওয়ান পয়েন্ট জিরো নামের একটি অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করা হয়েছে, যা পুরোপুরি ওপেন সোর্স করার পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৬ সালের মধ্যে।
এজিবট জানিয়েছে, ওয়ার্কেন একটি চলমান কাঠামো, যা বাস্তব মোতায়েন ও পরিচালন তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে আরও পরিমার্জিত হবে। সংস্থাটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের বিশ হাজারতম রোবট উৎপাদনের কথা জানিয়েছিল। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে বিশ্বজুড়ে আড়াইশর বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও পাঁচ শতাধিক প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।
সূত্র: পিআর নিউজওয়্যার