গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ খুঁজতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
গত ২৭ অক্টোবরের জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
গত ২৭ অক্টোবরের জাতীয় গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করতে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন গ্রিড পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটির বিবৃতির বরাত দিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, কমিটির নেতৃত্বে আছেন সঞ্চালন-২ এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলী। কমিটি বিপর্যয়ের কারিগরি কারণ নির্ণয় করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানোর সুপারিশ করবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর বেলা ১২টা ৪৩ মিনিটে মেঘনাঘাট-হরিপুর সঞ্চালন লাইনে বিভ্রাটের পর বিপর্যয় শুরু হয়। এক ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার ৩৭০ মেগাওয়াট কমে যায়। দুপুর ১২টায় উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৭১৯ মেগাওয়াট, যা বেলা ১টায় নেমে আসে ৯ হাজার ৩৪৯ মেগাওয়াটে।
বিপর্যয়ে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকা এবং চট্টগ্রামের কিছু অংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সচিবালয়ও প্রায় এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছাড়া ছিল।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, মেঘনাঘাট-হরিপুর লাইনে বিভ্রাটই বিপর্যয়ের সূত্রপাত ঘটায়। পরে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে চালু করে উৎপাদন বাড়ানো হয়। গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, ন্যাশনাল লোড ডেসপ্যাচ সেন্টারের তত্ত্বাবধানে ধাপে ধাপে সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড