স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় ৬৯ জন নিহত, তিন দিনের শোক ঘোষণা
স্পেনে দুটি হাইস্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে ৬৯ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও প্রায় ৫০ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মাদ্রিদ-সেভিয়া রেলপথে বুধবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর থাকা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পর একটি রেনফে ট্রেন থেমে থাকা আইরিও ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায়।
স্পেনে দুটি হাইস্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে ৬৯ জন নিহত হয়েছেন এবং আরও প্রায় ৫০ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মাদ্রিদ-সেভিয়া রেলপথে বুধবার সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর থাকা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পর একটি রেনফে ট্রেন থেমে থাকা আইরিও ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায়।
স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী ওস্কার পুয়েন্তে এই দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বুধবার সংবাদমাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনরায় চালুর আগেই ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল, যা তাঁর ভাষায় ব্যাখ্যাতীত।
দুর্ঘটনাস্থল উরদা এলাকায়, মাদ্রিদের দক্ষিণে অবস্থিত। সকাল সাড়ে আটটার দিকে একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ওই রেলপথের ৬৩ কিলোমিটার অংশে সব ট্রেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে থেমে যায়। পরে নিয়ন্ত্রণকক্ষ কোনো গতিসীমা না দিয়েই ট্রেন চলাচলের নির্দেশ দেয়, যার ফলে সংঘর্ষ ঘটে।
এই দুর্ঘটনার পর স্পেন সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। পরিবহনমন্ত্রী পুয়েন্তে বলেন, নিয়ন্ত্রণকক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং দায় নির্ধারণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, একই বছরে দুটি হাইস্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি হাইস্পিড ট্রেন দুর্ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন, যেখানে একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। উভয় দুর্ঘটনাতেই রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেনফে এবং বেসরকারি আইরিও কোম্পানির ট্রেন জড়িত ছিল। চলতি দুর্ঘটনার পর স্পেনের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে।
সূত্র: এবিসি নিউজ ও এনবিসি নিউজ