ডিজেল সংকটে জি-সেভেনের জরুরি মজুত অবমুক্তির সিদ্ধান্ত
ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় জি-সেভেন ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল মজুত অবমুক্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় জি-সেভেন ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল মজুত অবমুক্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জি-সেভেন নেতারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সমন্বয়ে অবিলম্বে এই মজুত ছাড় শুরু হবে এবং চার মাস ধরে চলবে। প্রথম ২০ দিনের মধ্যেই বড় অংশ অবমুক্ত করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বরে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছায় এবং এখনও গ্যালনপ্রতি গড়ে ৬ দশমিক ৩৭ ডলারে রয়েছে।
এই ঘোষণার আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইউরোপ তাদের বিপুল ডিজেল মজুত ছাড়তে রাজি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন আগে থেকেই ইউরোপকে চাপ দিচ্ছিল যেন তারা মজুত ছাড়ে, অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আগস্টের ডিজেল আমদানির প্রায় অর্ধেক আসত যুক্তরাষ্ট্র থেকে। রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনায় ইউরোপে উদ্বেগ তৈরি হয়। ইইউ বাণিজ্য প্রধান মারোশ শেফচোভিচ জানান, ডিজেলের দাম কমাতে দুই পক্ষেরই একসঙ্গে কাজ করার স্বার্থ রয়েছে।
জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যা হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল চলাচল। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর এই পথে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলেও সম্প্রতি রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব মাত্রায় ফিরেছে বলে সিএনবিসি জানিয়েছে।