লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ জন বাংলাদেশি নাগরিক। বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁরা মিসরাতা থেকে বুরাক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ফেরত আসা অনেকেই লিবিয়ায় মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন।
লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ জন বাংলাদেশি নাগরিক। বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁরা মিসরাতা থেকে বুরাক এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ফেরত আসা অনেকেই লিবিয়ায় মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে। লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সমন্বয়ে এই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়।
ফেরত আসা বেশির ভাগ বাংলাদেশি মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে অবৈধভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের অনেকে লিবিয়ায় অবস্থানকালে বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং আইওএমের প্রতিনিধিরা ফেরত আসাদের স্বাগত জানান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফেরত আসাদের অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার অনুরোধ জানিয়েছে। আইওএম প্রত্যেক ফেরত আসা ব্যক্তিকে যাতায়াত খরচ, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রয়োজনে সাময়িক আবাসন সুবিধা দিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ত্রিপোলিতে বাংলাদেশ মিশন এবং আইওএম একযোগে লিবিয়ার বিভিন্ন আটক কেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করছে।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড