বন্দীদের অনলাইন লোকেটার থেকে মুছে ফেলছে আইসিই, পরিবার ও আইনজীবীরা অন্ধকারে
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিই গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত বন্দীদের অনলাইন ডিটেইনি লোকেটার সিস্টেম থেকে মুছে দিচ্ছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, এই বন্দীদের তথ্য আর সার্বজনীনভাবে দেখা যাবে না এবং কর্মীদের আইনজীবী বা পরিবারের কাছেও তাদের অবস্থান জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা আইসিই গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত বন্দীদের অনলাইন ডিটেইনি লোকেটার সিস্টেম থেকে মুছে দিচ্ছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, এই বন্দীদের তথ্য আর সার্বজনীনভাবে দেখা যাবে না এবং কর্মীদের আইনজীবী বা পরিবারের কাছেও তাদের অবস্থান জানাতে নিষেধ করা হয়েছে।
আমেরিকান ইমিগ্রেশন কাউন্সিলের প্রতিবেদনে এবং ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্যে এই নীতির বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে। ওবামা প্রশাসনের আমলে চালু হওয়া এই লোকেটার ব্যবস্থায় যে কেউ কারো নাম ও জন্মের দেশ দিয়ে সার্চ করে তার আটকের স্থান জানতে পারতেন। এর আগে কখনো কর্মকর্তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে অবস্থান গোপন রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে আইসিইর আটককেন্দ্রের সংখ্যা ৯১ শতাংশ বেড়েছে এবং প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজনেরও বেশি বন্দীকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্য রাজ্যে স্থানান্তর করা হচ্ছে। বর্তমানে কমপক্ষে ১৪ লাখ মানুষ চূড়ান্ত বহিষ্কারাদেশের আওতায় আছেন, যাদের গ্রেপ্তার হলে লোকেটারে কখনো দেখা যাবে না।
এই নীতিতে বন্দীদের পক্ষে আইনি সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। আইনজীবীরা বলছেন, কাউকে খুঁজে বের করতে দেরি হলে সেটি বৈধ হস্তক্ষেপ ও বহিষ্কারের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে। ইতিমধ্যে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আদালতের আদেশ লঙ্ঘন করে কমপক্ষে ১৭০টি অবৈধ বহিষ্কার ঘটেছে বলে জানা গেছে।
সাংবাদিক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং পরিবারের সদস্যরাও এখন বন্দীর অবস্থান জানতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হবেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই নীতিকে বেআইনি ও সাংবিধানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বলে চিহ্নিত করেছে এবং আদালতে চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সূত্র: আমেরিকান ইমিগ্রেশন কাউন্সিল