গ্রিন কার্ড আবেদনে নতুন বিধি, সরকারি সুবিধা নিলে বাধা
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন "পাবলিক চার্জ" বিধি কার্যকর হয়েছে, যাতে সরকারি সহায়তা গ্রহণকারী বা ভবিষ্যতে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকা আবেদনকারীদের গ্রিন কার্ড পাওয়া কঠিন হবে। বছরে গড়ে প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার আবেদনকারী এই পর্যালোচনার আওতায় পড়বেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন \"পাবলিক চার্জ\" বিধি কার্যকর হয়েছে, যাতে সরকারি সহায়তা গ্রহণকারী বা ভবিষ্যতে নেওয়ার সম্ভাবনা থাকা আবেদনকারীদের গ্রিন কার্ড পাওয়া কঠিন হবে। বছরে গড়ে প্রায় ৫ লাখ ৮৮ হাজার আবেদনকারী এই পর্যালোচনার আওতায় পড়বেন।
গত শুক্রবার কার্যকর হওয়া এই নিয়মে ইমিগ্রেশন অফিসাররা গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের যেকোনো \"মিনস টেস্টেড\" সরকারি সুবিধা গ্রহণ বিবেচনায় নিতে পারবেন। এতে ফুড স্ট্যাম্প, মেডিকেইড, হাউজিং ভাউচার, চাইল্ড কেয়ার সাবসিডি এবং চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিটসহ বিস্তৃত সুবিধা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) অনুমান করেছে, প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার মানুষ গ্রিন কার্ড প্রত্যাখ্যানের ভয়ে মেডিকেইড, ফুড স্ট্যাম্প, চিলড্রেনস হেলথ ইনস্যুরেন্স প্রোগ্রাম (সিএইচআইপি) ও ফেডারেল রেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্সসহ ছয়টি সুবিধা কর্মসূচি থেকে সরে আসতে পারেন।
নতুন নিয়মে পরিবারের সদস্যদের, এমনকি নাগরিক সন্তানদের জন্য আবেদন করা সরকারি সুবিধাও বিবেচনায় আনা যাবে। অভিবাসন অধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা করছে, এতে যোগ্য পরিবারগুলো স্কুল মিল, ডব্লিউআইসি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হবে।
১৮৮২ সালের ইমিগ্রেশন আইন থেকেই \"পাবলিক চার্জ\" ধারণাটি চলে আসছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৯ সালে এই নিয়ম প্রসারিত করা হলেও ২০২১ সালে আদালত তা বাতিল করে এবং বাইডেন প্রশাসন শুধু নগদ সুবিধায় সীমিত রাখে। নতুন নিয়মটি রুখতে একাধিক মামলা ফেডারেল আদালতে চলছে।
সূত্র: সিএনএন