যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসক্রিপশনের ওষুধের দাম ১৯৬৩ সালের পর সর্বোচ্চ হারে কমেছে

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসক্রিপশনের ওষুধের দাম গত জুলাই মাসে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে এবং এক বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ১৯৬৩ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ বার্ষিক পতন।

Aug 21, 2026 - 08:30
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসক্রিপশনের ওষুধের দাম ১৯৬৩ সালের পর সর্বোচ্চ হারে কমেছে
উইকিমিডিয়া কমন্স: Chaos

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসক্রিপশনের ওষুধের দাম গত জুলাই মাসে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে এবং এক বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ১৯৬৩ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ বার্ষিক পতন।

মার্কিন শ্রম বিভাগের সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সূচক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই পতনের কৃতিত্ব নিজের "মোস্ট ফেভার্ড নেশন" ওষুধ চুক্তি ও ট্রাম্পআরএক্স ওয়েবসাইটকে দিয়েছেন।

তবে ওষুধ মূল্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পতনের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট বাইডেনের আমলে পাস হওয়া আইনের আওতায় মেডিকেয়ারের ওষুধ মূল্য আলোচনা এবং জেনেরিক ও বায়োসিমিলার ওষুধের বাজারে প্রতিযোগিতা দাম কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্বাস্থ্যনীতি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কেএফএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুলিয়েট কিউবান্সকি বলেছেন, "একটি সংখ্যার ভিত্তিতে পরিস্থিতির পুরো চিত্র বোঝা কঠিন। কোনো একটি নির্দিষ্ট নীতির কারণে এই দাম কমছে, এটা বলা যাবে না।" হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষক ডা. বেঞ্জামিন রোম জানিয়েছেন, বড় ব্র্যান্ডের ওষুধ জেনেরিক প্রতিযোগিতার মুখে পড়লে দাম কমে।

হিউমিরা ও স্টেলারার মতো জনপ্রিয় বায়োলজিক ওষুধের জন্য একাধিক বায়োসিমিলার বাজারে আসায় ওইসব ওষুধের দামও কমেছে। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, শ্রম বিভাগের এই সূচক ভোক্তারা সরাসরি কত দেন তা নয়, বরং ফার্মেসিগুলো বীমা কোম্পানি ও ভোক্তাদের কাছ থেকে কত পায় তা পরিমাপ করে।

সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস