যুক্তরাষ্ট্রে আবারও ছড়াচ্ছে করোনা, প্রায় সব অঙ্গরাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীষ্মের কোভিড ঢেউ আরও বিস্তৃত হয়েছে। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এর সর্বশেষ মহামারি প্রবণতা মডেল অনুযায়ী, ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে অথবা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু আইওয়ায় পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় সংক্রমণের প্রবণতা নির্ধারণ করা যায়নি।

Aug 20, 2026 - 22:36
যুক্তরাষ্ট্রে আবারও ছড়াচ্ছে করোনা, প্রায় সব অঙ্গরাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ
উইকিমিডিয়া কমন্স: NIAID-RML

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীষ্মের কোভিড ঢেউ আরও বিস্তৃত হয়েছে। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) এর সর্বশেষ মহামারি প্রবণতা মডেল অনুযায়ী, ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে কোভিড সংক্রমণ বাড়ছে অথবা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু আইওয়ায় পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় সংক্রমণের প্রবণতা নির্ধারণ করা যায়নি।

সিডিসির ১২ আগস্ট পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, ৪৭টি অঙ্গরাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছে এবং নিউ হ্যাম্পশায়ার, রোড আইল্যান্ড ও ওয়াশিংটন ডিসিতে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। কোনো অঙ্গরাজ্যকে বর্তমানে সংক্রমণ অপরিবর্তিত, কমছে বা কমার সম্ভাবনা রয়েছে হিসেবে দেখানো হয়নি। মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে জুলাইয়ের শেষ দিকে ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছিল।

ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, নিউইয়র্ক, পেনসিলভানিয়া, ইলিনয় ও জর্জিয়ার মতো বড় অঙ্গরাজ্যেও সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দক্ষিণ, পশ্চিম, মধ্য-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে সিডিসির এই মানচিত্রকে সরাসরি বর্তমানে কতজন আক্রান্ত তার হিসাব হিসেবে দেখা যাবে না, কারণ এটি মূলত সংক্রমণের দিক নির্ধারণ করে।

জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অব পাবলিক হেলথের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পেকোসজ বলেন, গ্রীষ্মের শেষভাগ ও শরতের শুরুতে কোভিড সংক্রমণ বাড়ার প্রবণতা গত কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে। তার মতে, কোভিড এখন অনেকটাই মৌসুমি রোগের মতো আচরণ করছে এবং বর্তমানে এমন কোনো নতুন ধরন দেখা যাচ্ছে না যা বিশেষভাবে উদ্বেগের কারণ।

সান ফ্রান্সিসকোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ পিটার চিন-হং বলেছেন, মানুষের শরীরে আগের সংক্রমণ ও টিকার মাধ্যমে তৈরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এখন তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে বয়স্ক মানুষ, গর্ভবতী নারী ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি এখনও বেশি বলে তিনি জানান।