২০২৬ সালে স্কুল ফিরতি কেনাকাটায় রেকর্ড ৪৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয়, দাম বেশি হলে সাশ্রয়ী বিকল্পে ঝুঁকবেন ক্রেতারা
মার্কিন ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশন বা এনআরএফের নতুন জরিপ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে কে-১২ স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবারগুলো মোট ৪৩.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি আগের রেকর্ড ২০২৩ সালের ৪১.৫ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কলেজ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই ব্যয় ১০৩.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর প্রত্যাশা।
মার্কিন ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশন বা এনআরএফের নতুন জরিপ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে কে-১২ স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবারগুলো মোট ৪৩.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি আগের রেকর্ড ২০২৩ সালের ৪১.৫ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কলেজ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই ব্যয় ১০৩.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর প্রত্যাশা।
এনবিসি ডিএফডব্লিউ এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে শনিবার, ১ আগস্ট। এনআরএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ মার্ক ম্যাথিউস বলেছেন, ক্রেতারা মূল্য নিয়ে সচেতন এবং তাদের অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাইছেন।
জরিপে দেখা গেছে, ৬৪ শতাংশ ক্রেতা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দাম পাওয়ার আশঙ্কায় আছেন। এর মধ্যে ৪৬ শতাংশ বলেছেন দাম বেশি হলে অন্য দোকানে যাবেন, ৪১ শতাংশ ডিসকাউন্ট স্টোরে কেনাকাটা করবেন এবং ৩৮ শতাংশ কুপন বা সেলের সুযোগ খুঁজবেন।
ইলেকট্রনিক সামগ্রীতে গড় ব্যয় কলেজ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ৩৪১.৯৫ ডলার এবং কে-১২ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ২৯৩.১১ ডলার। প্রসপার ইনসাইটস অ্যান্ড অ্যানালিটিক্সের ফিল রিস্ট বলেছেন, এ বছর ইলেকট্রনিক সামগ্রী কিনতে আগ্রহী ক্রেতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
২৬ শতাংশ ক্রেতা স্কুল শুরুর কমপক্ষে দুই মাস আগে থেকে কেনাকাটা শুরু করেন এবং ৬২ শতাংশ জুলাইয়ের শুরুতেই কেনাকাটা শুরু করেছেন। সাশ্রয়ী বিকল্প খোঁজার প্রবণতা বাড়লেও মোট ব্যয় রেকর্ড উচ্চতায় থাকছে।
সূত্র: এনবিসি ডিএফডব্লিউ / ন্যাশনাল রিটেইল ফেডারেশন