বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারি, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে পরাজয়ের পর মারামারির ঘটনায় আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসসহ একাধিক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিফা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে স্পেন ১-০ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পর ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষ ঘটে।
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে পরাজয়ের পর মারামারির ঘটনায় আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসসহ একাধিক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফিফা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে স্পেন ১-০ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জেতার পর ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষ ঘটে।
মিডফিল্ডার পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফাইনালের পর স্পেনের মিডফিল্ডার গাভির ওপর তিনি আক্রমণ করেন। ডিফেন্ডার নাউয়েল মোলিনার বিরুদ্ধে দুটি হামলার অভিযোগ এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে একটি হামলার অভিযোগ রয়েছে। মোলিনা, থিয়াগো আলমাদা ও গাভির বিরুদ্ধে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে।
ফিফা আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশনের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে দর্শকদের বৈষম্যমূলক স্লোগান ও অঙ্গভঙ্গি, একাধিক ম্যাচে দর্শকদের বস্তু ছোড়া এবং মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার আইশোস্পিডের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর খেলোয়াড়রা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শনের অভিযোগেও অভিযুক্ত।
সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে পারেদেস দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন। মোলিনা ও আয়ালারও খেলা ও মাঠ থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফেডারেশনের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের জরিমানা, বন্ধ দরজায় ম্যাচ খেলা বা দর্শক সংখ্যা সীমিত করার শাস্তি আসতে পারে।
তবে বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বহিষ্কারের সম্ভাবনা নেই বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ফিফা ২৯ জুলাই এই শাস্তিমূলক কার্যক্রম শুরু করে। আল জাজিরা এই খবর জানিয়েছে।