ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডে যুক্ত হচ্ছে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিষাক্ত ইনজেকশন ও গ্যাস প্রয়োগ

মৃত্যুদণ্ড প্রথা পুনরায় চালুর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিষাক্ত ইনজেকশন ও প্রাণঘাতী গ্যাস ব্যবহারের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

Apr 26, 2026 - 21:25
ফেডারেল মৃত্যুদণ্ডে যুক্ত হচ্ছে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিষাক্ত ইনজেকশন ও গ্যাস প্রয়োগ
মৃত্যুদণ্ড প্রথা পুনরায় চালুর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিষাক্ত ইনজেকশন ও প্রাণঘাতী গ্যাস ব্যবহারের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

মৃত্যুদণ্ড প্রথা পুনরায় চালুর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াড, বিষাক্ত ইনজেকশন প্রাণঘাতী গ্যাস ব্যবহারের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রথম দিনই ফেডারেল কারাগারগুলোতে মৃত্যুদণ্ড পুনরায় চালুর নির্বাহী আদেশে সই করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর আগের মেয়াদে ফেডারেল কারাগারে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছিল।

২০২১ সালে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক বি. গারল্যান্ড ফেডারেল বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গেপেন্টোবারবিটালইনজেকশনের ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীতে ক্ষমতা ছাড়ার আগে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৪০ জনের মধ্যে ৩৭ জনের সাজা লঘু করেন।

শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেন, বাইডেন প্রশাসনের এসব সিদ্ধান্ত ভুক্তভোগীদের প্রতি অবিচার এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী।

বিচার বিভাগ জানিয়েছে, পেন্টোবারবিটাল ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফায়ারিং স্কোয়াড, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট করে হত্যা এবং প্রাণঘাতী গ্যাসসহ বিকল্প পদ্ধতিগুলোও বিবেচনায় আনা হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইনজেকশন প্রয়োগে ব্যবহৃত ওষুধের প্রাপ্যতা আইনি জটিলতার কারণে যেসব অঙ্গরাজ্য বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণ করেছে, ফেডারেল কারা ব্যুরোরও সে পথ অনুসরণ করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এসব পদ্ধতিকে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে, যেখানেনিষ্ঠুর অস্বাভাবিক শাস্তিনিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ফেডারেল আপিল প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে নতুন নিয়ম প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে সময়সীমা নির্ধারণের চূড়ান্ত ক্ষমতা আদালতের কাছেই থাকবে।

বিচার বিভাগ আরও জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ক্ষমা বা সাজা মওকুফের আবেদনের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস