সুপার বোলের মঞ্চে লাতিন সংস্কৃতির উৎসব: ইতিহাস গড়লেন ব্যাড বান্নি
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর সুপার বোলের হাফটাইম শোতে ইতিহাস গড়লেন ব্যাড বান্নি। প্রথমবারের মতো এই মঞ্চে প্রধানত স্প্যানিশ ভাষায় গান গেয়ে লাতিন সংস্কৃতিকে কেন্দ্রবিন্দুতে আনলেন পুয়ের্তো রিকোর এই সুপারস্টার। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারার লেভাইস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই পরিবেশনা ইতিমধ্যেই সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দেখা হাফটাইম শো হিসেবে আলোচিত—দর্শক সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৩৫ মিলিয়ন।
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর সুপার বোলের হাফটাইম শোতে ইতিহাস গড়লেন ব্যাড বান্নি। প্রথমবারের মতো এই মঞ্চে প্রধানত স্প্যানিশ ভাষায় গান গেয়ে লাতিন সংস্কৃতিকে কেন্দ্রবিন্দুতে আনলেন পুয়ের্তো রিকোর এই সুপারস্টার। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারার লেভাইস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই পরিবেশনা ইতিমধ্যেই সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দেখা হাফটাইম শো হিসেবে আলোচিত—দর্শক সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৩৫ মিলিয়ন।
৩১ বছর বয়সী ব্যাড বান্নি, পুরো নাম বেনিতো আন্তোনিও মার্তিনেজ ওকাসিও—সাদা পোশাক ও ‘Ocasio’ লেখা জার্সি পরে মঞ্চে ওঠেন। সিয়াটল সিহকস ও নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টসের ম্যাচের বিরতিতে ‘‘তিতি মে প্রেগুনতো (Tití Me Preguntó)’ দিয়ে শুরু হয় শো। পুয়ের্তো রিকোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাঠ সাজানো হয় খেজুরগাছ, আখ ও স্থানীয় সংস্কৃতির নানা প্রতীকে। এরপর পরিবেশন করেন ‘Yo Perreo Sola’, ‘EoO’, ‘NUEVAYoL’ ও ‘DTMF’সহ একের পর এক জনপ্রিয় গান।
হাফটাইম শোতে চমক হিসেবে যোগ দেন লেডি গাগা ও রিকি মার্টিন। গাগা ব্যাড বান্নির সঙ্গে ‘BAILE INoLVIDABLE’ পরিবেশন করেন, আর রিকি মার্টিন গেয়ে শোনান পুয়ের্তো রিকোর গেন্ট্রিফিকেশন নিয়ে সমালোচনামূলক গান ‘LO QUE LE PASÓ A HAWAii’। পেদ্রো পাসকাল, জেসিকা আলবা, কার্ডি বি ও কারোল জি-সহ একাধিক তারকার উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
শোয়ের শেষদিকে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে দাঁড়ান ব্যাড বান্নি—পুয়ের্তো রিকোর শক্তি ও দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকটের প্রতীকী বার্তা হিসেবে। মাঠ ছাড়ার সময় বড় পর্দায় ভেসে ওঠে বার্তা—‘ঘৃণার চেয়েও শক্তিশালী একটাই জিনিস, ভালোবাসা’।
তবে এই পরিবেশনা নিয়ে সমালোচনাও করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি হাফটাইম শোটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে আখ্যা দেন।
ছয়টি গ্র্যামি ও ১৭টি লাতিন গ্র্যামি জয়ী ব্যাড বান্নি সুপার বোলের মঞ্চে পারিশ্রমিক নয়, বরং লাতিন সংস্কৃতির শক্তিশালী উপস্থিতি দিয়েই ইতিহাসে নিজের নাম লিখে রাখলেন।
তথ্যসূত্র: সিবিএস নিউজ