আইসিই অভিযানে কাঁপছে মেইন, প্রতিক্রিয়ার ঝড়ে ঝুঁকিতে রিপাবলিকানদের সিনেট নিয়ন্ত্রণ

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানে কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্য। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) পরিচালিত ‘অপারেশন ক্যাচ অব দ্য ডে’ ঘিরে ব্যাপক ক্ষোভ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, যা আগামী নভেম্বরে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সিনেট নিয়ন্ত্রণের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

Feb 9, 2026 - 13:46
আইসিই অভিযানে কাঁপছে মেইন, প্রতিক্রিয়ার ঝড়ে ঝুঁকিতে রিপাবলিকানদের সিনেট নিয়ন্ত্রণ
মেইনের পোর্টল্যান্ডে আইসিই এজেন্টদের উপস্থিতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। ছবি: এপি’র সৌজন্যে

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানে কাঁপছে যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্য। ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) পরিচালিতঅপারেশন ক্যাচ অব দ্য ডেঘিরে ব্যাপক ক্ষোভ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, যা আগামী নভেম্বরে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সিনেট নিয়ন্ত্রণের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া অভিযানেভয়ংকর অপরাধী অবৈধ অভিবাসীদেরলক্ষ্য করার দাবি করা হলেও, শ্রমিক সংগঠন স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগএতে নির্বিচার গ্রেপ্তার, বর্ণভিত্তিক প্রোফাইলিং এবং সাধারণ মানুষের ওপর হয়রানি চলছে। মেইনের রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্স দাবি করেছেন, তার অনুরোধে অভিযান বন্ধ হয়েছে। তবে শ্রমিক নেতা বাসিন্দারা বলছেন, আইসিই এখনও সক্রিয় এবং মানুষের মন থেকে আতঙ্ক কাটেনি।

মেইন এএফএল-সিআইওর নির্বাহী পরিচালক ম্যাট শ্লোবোহম বলেন, এই অভিযান শ্রমিকদের জীবনে ভয় ক্ষোভ ছড়িয়ে দিয়েছে এবং অনেক এলাকায় পরিস্থিতিদখলদারিরমতো মনে হচ্ছে। নার্স কেলি ব্রেনানের অভিযোগ, আইসিই সদস্যরা তাকে তার সহকর্মীকে হয়রানি করেছে। নির্মাণশ্রমিক ডেরেক এলিস জানান, প্রকাশ্যে এক কৃষ্ণাঙ্গ নারীকে সন্তানসহ গ্রেপ্তারের ঘটনা তিনি দেখেছেন, যা স্পষ্ট বর্ণভিত্তিক প্রোফাইলিং।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, আইন অনুযায়ীযৌক্তিক সন্দেহেরভিত্তিতেই অভিযান চলছে। তবে স্থানীয় সংগঠনগুলোর দাবি, ২০২৫ সালে মেইনে আইসিই গ্রেপ্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং অনেকেরই কোনো অপরাধের ইতিহাস নেই।

এই পরিস্থিতিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা কলিন্সের কড়া সমালোচনা করছেন। সাম্প্রতিক জরিপে কলিন্স যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অজনপ্রিয় সিনেটর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন, যা রিপাবলিকানদের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান