বিশ্বকাপের শিল্পকর্ম আঁকতে মুছে ফেলা হচ্ছে ডালাসের তিমি ম্যুরাল, আইনি পদক্ষেপের হুমকি শিল্পীর
ডালাস শহরের বহুল পরিচিত একটি তিমির ম্যুরাল মুছে ফেলার কাজ শুরু হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে নতুন শিল্পকর্ম আঁকার জন্য এই ম্যুরালের অংশ ঢেকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে ম্যুরালটির শিল্পী রবার্ট ওয়াইল্যান্ড এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ডালাস শহরের বহুল পরিচিত একটি তিমির ম্যুরাল মুছে ফেলার কাজ শুরু হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে নতুন শিল্পকর্ম আঁকার জন্য এই ম্যুরালের অংশ ঢেকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে ম্যুরালটির শিল্পী রবার্ট ওয়াইল্যান্ড এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
‘হোয়েলিং ওয়াল ৮২’ নামে পরিচিত ম্যুরালটি প্রায় ৩০ বছর ধরে ডাউনটাউন ডালাসের সাবেক টেক্সাস ইউটিলিটিজ ভবনের আকর্ড স্ট্রিটমুখী দেয়ালে ছিল। সামুদ্রিক প্রাণী বিষয়ক শিল্পকর্মের জন্য পরিচিত শিল্পী রবার্ট ওয়াইল্যান্ড এটি তৈরি করেছিলেন।
এ সপ্তাহে নতুন বিশ্বকাপ–সংশ্লিষ্ট শিল্পকর্ম আঁকার জন্য ম্যুরালের কিছু অংশ ঢেকে দেওয়ার কাজ শুরু হলে স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। ডালাসের বাসিন্দা এড স্মিথ বলেন, “আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। আমি সবসময় এই ম্যুরালের বড় ভক্ত ছিলাম।”
শিল্পী ওয়াইল্যান্ড দাবি করেন, কাজ শুরুর আগে কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তিনি বলেন, “এত দেয়াল থাকতে আমারটাই কেন রঙ করে ঢেকে দেওয়া হলো?” অন্য একজনের পাঠানো ছবি দেখে তিনি প্রথম তাঁর শিল্পকর্ম মুছে ফেলার বিষয়ে জানতে পারেন।
ওয়াইল্যান্ড আরও অভিযোগ করেন, আয়োজকেরা দাবি করলেও বাস্তবে তাঁর বা তাঁর ফাউন্ডেশনের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তিনি এ সিদ্ধান্তকে “সব দিক থেকেই অসম্মানজনক” বলে মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে নর্থ টেক্সাসের বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটি জানায়, নতুন ম্যুরালটি ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে উত্তেজনা ও উদ্দীপনা তুলে ধরবে। ভবনের মালিক স্লেট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তারা আরও জানায়, ওয়াইল্যান্ডের ‘হোয়েলিং ওয়াল ৮২’-এর সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব তারা স্বীকার করে এবং মূল ম্যুরালের একটি অংশ সংরক্ষণ করা হবে। তবে ওয়াইল্যান্ড বলেন, ম্যুরালটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ‘ভিজ্যুয়াল আর্টিস্টস রাইটস অ্যাক্ট’-এর আওতায় সুরক্ষিত। তাই তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা এড স্মিথের মতে, ঘটনাটি জনসম্মুখের শিল্পকর্ম সংরক্ষণে উদাসীনতার বড় উদাহরণ। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, শিল্পের প্রতি তাদের কোনো সম্মান নেই।”
তথ্যসূত্র: ডব্লিউএফএএ