নতুন নিরাপত্তা আইনের মুখে অনিশ্চয়তা টেক্সাসের সামার ক্যাম্প
টেক্সাসজুড়ে হাজারো পরিবার এখন অনিশ্চয়তায়—গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে তাদের সন্তানদের পাঠানো যাবে কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন দুশ্চিন্তা। গত বছর ৪ জুলাইয়ের ভয়াবহ বন্যার পর চালু হওয়া কঠোর নিরাপত্তা আইনকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই পরিস্থিতি।
টেক্সাসজুড়ে হাজারো পরিবার এখন অনিশ্চয়তায়—গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পে তাদের সন্তানদের পাঠানো যাবে কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন দুশ্চিন্তা। গত বছর ৪ জুলাইয়ের ভয়াবহ বন্যার পর চালু হওয়া কঠোর নিরাপত্তা আইনকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই পরিস্থিতি।
জনপ্রিয় সামার ক্যাম্প ‘ক্যাম্প লংহর্ন’ মঙ্গলবার অভিভাবকদের জানায়, নতুন আইনের অধীনে তারা এখনো হালনাগাদ লাইসেন্স পায়নি। ক্যাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, সবচেয়ে বড় জটিলতা তৈরি করেছে ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগের বাধ্যবাধকতা, যা টেক্সাসের গ্রামীণ এলাকার বহু ক্যাম্পের জন্য বাস্তবায়ন করা কঠিন।
ক্যাম্প লংহর্ন এক বিবৃতিতে জানায়, নতুন নিরাপত্তা আইনের প্রতিটি ধারা তারা মেনে চলতে প্রস্তুত। তবে ফাইবার ইন্টারনেট সংক্রান্ত শর্তের কারণে প্রায় এক লাখ ক্যাম্পারের অংশগ্রহণ ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
এদিকে ‘ক্যাম্প মিস্টিক’ ইতোমধ্যেই এ গ্রীষ্মে কার্যক্রম চালানোর আবেদন প্রত্যাহার করেছে। রাজ্য কর্তৃপক্ষ তাদের জরুরি নিরাপত্তা পরিকল্পনায় প্রায় দুই ডজন ত্রুটি শনাক্ত করেছিল। টেক্সাসের ৩৩০টির বেশি ক্যাম্পের তালিকায় দেখা গেছে, ৪ মে পর্যন্ত মাত্র ৯টি ক্যাম্প নতুন লাইসেন্স পেয়েছে।
নতুন আইন প্রণয়নে যুক্ত টেক্সাস প্রতিনিধি জন ম্যাককুইনি স্বীকার করেছেন, গ্রামীণ এলাকায় ফাইবার ইন্টারনেটের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যতে আইন সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।
তবে টেক্সাস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট হেলথ সার্ভিসেস জানিয়েছে, যেসব ক্যাম্পের আবেদন এখনো প্রক্রিয়াধীন, তারা আগের লাইসেন্স ব্যবহার করেই এ গ্রীষ্মে কার্যক্রম চালাতে পারবে।
অন্যদিকে প্রতিনিধি প্যাট কারি সামাজিক মাধ্যমে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, ‘ব্রডব্যান্ড ঘাটতির কারণে এ গ্রীষ্মে কোনো ক্যাম্প বন্ধ হবে না।’
ক্যাম্প লংহর্ন জানিয়েছে, তারা বিকল্প হিসেবে স্টারলিংক ও একাধিক ব্রডব্যান্ড সেবা ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে। কর্মকর্তাদের আশা, নমনীয় সমাধানের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ক্যাম্পগুলো চালু রাখা সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র: এনবিসি ৫