গাজামুখী ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ আটকাতে শুরু করেছে ইসরায়েল
গাজা উপত্যকার দিকে অগ্রসর হওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র নৌযানগুলোকে আটকাতে অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। স্থানীয় সময় বুধবার রাত থেকে এই অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও নিরাপত্তা সূত্র।
গাজা উপত্যকার দিকে অগ্রসর হওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র নৌযানগুলোকে আটকাতে অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি নৌবাহিনী। স্থানীয় সময় বুধবার রাত থেকে এই অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও নিরাপত্তা সূত্র।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী বহরটিতে ৫৮টি জাহাজ রয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর মুখোমুখি হওয়ার সময় নৌবহরটি ক্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছাকাছি অবস্থান করছিল, যা ইসরায়েল থেকে কয়েক শ নটিক্যাল মাইল দূরে।
ফ্লোটিলার আয়োজকদের দাবি, গাজায় আরোপিত ইসরায়েলের নৌ অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যেই এই যাত্রা। এর আগে একই ধরনের উদ্যোগে গাজা উপকূলের কাছাকাছি গিয়ে নৌযানগুলো আটক করা হলেও এবার তুলনামূলক দূর থেকেই অভিযান শুরু হয়েছে।
আয়োজকদের প্রকাশিত ভিডিওতে শোনা যায়, ইসরায়েলি নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা বহরটিকে গতিপথ পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, মানবিক সহায়তা পাঠাতে চাইলে ‘স্বীকৃত চ্যানেল’ ব্যবহার করে আশদোদ বন্দরের দিকে যেতে হবে।
এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, আটক করা একটি জাহাজে ‘কনডম ও মাদকদ্রব্য’ পাওয়া গেছে—যদিও এ দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি।
ফ্লোটিলার কর্মীরা চলতি মাসের শুরুতে স্পেন থেকে যাত্রা শুরু করেন। গত বছরও একই ধরনের এক অভিযানে সুইডিশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ শতাধিক অংশগ্রহণকারী প্রতীকী মানবিক সহায়তা নিয়ে গাজামুখী যাত্রা করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে ইসরায়েল ও মিসর উপত্যকাটিতে অবরোধ আরোপ করে আসছে। ইসরায়েলের দাবি, অস্ত্র চোরাচালান ঠেকাতে এই অবরোধ প্রয়োজনীয়। তবে সমালোচকদের মতে, এটি গাজার প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনির ওপর সম্মিলিত শাস্তির শামিল।
তথ্যসূত্র:আল জাজিরা