ট্রাম্পকে হত্যার হুমকির অভিযোগে আত্মসমর্পণ সাবেক এফবিআই প্রধানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কোমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরেই এই অভিযোগ।

Apr 29, 2026 - 23:07
ট্রাম্পকে হত্যার হুমকির অভিযোগে আত্মসমর্পণ সাবেক এফবিআই প্রধানের
এফবিআইয়ের সাবেক প্রধান জেমস কোমি। ছবি: রয়টার্সের সৌজন্যে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন সাবেক এফবিআই প্রধান জেমস কোমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরেই এই অভিযোগ।

কৌঁসুলিদের দাবি, ২০২৫ সালে সমুদ্রসৈকতে ঝিনুক সাজিয়ে৮৬ ৪৭লেখা একটি ছবি পোস্ট করেন কোমি। যুক্তরাষ্ট্রের কথ্য ভাষায়৮৬শব্দটিসরিয়ে দেওয়াবাখতম করাবোঝাতে ব্যবহৃত হয় যুক্তিতে তারা বলছেন, এটি ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সহিংসতার ইঙ্গিত।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কোমি বলেছেন, সংখ্যাটির এমন অর্থ তার জানা ছিল না এবং মামলাটিরাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পরে সমালোচনার মুখে পোস্টটি মুছেও ফেলেন তিনি।

ভার্জিনিয়ার একটি আদালতে বুধার সংক্ষিপ্ত হাজিরা শেষে কোনো মন্তব্য না করে বেরিয়ে যান কোমি। তার আইনজীবী প্যাট্রিক ফিটজেরাল্ড জানিয়েছেন, মামলাটি বাতিলের আবেদন করা হবে।

গত মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় কোমি জানিয়েছিলেন, তিনি এই অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত, ‘আমি নির্দোষ, ভীত নই এবং স্বাধীন ফেডারেল বিচারব্যবস্থার ওপর আমার এখনো আস্থা রয়েছে।

২০২৫ সালের মে মাসের ওই ইন্সটাগ্রাম পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘সৈকতে হাঁটার সময় দারুণ এই ঝিনুকের সজ্জা চোখে পড়ল।

এদিকে ট্রাম্প কোমিকেঅসৎ মানুষআখ্যা দিয়ে বলেন, ‘৮৬শব্দটি অপরাধজগতেও হত্যার ইঙ্গিত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে এটি সরাসরি হুমকি কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সম্ভবত।

আইন বিশেষজ্ঞ কিছু আইনপ্রণেতা অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বলেন, শুধু একটি ছবি নয়এর চেয়ে শক্ত প্রমাণ থাকা উচিত। সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর জিমি গুরুলে এই অভিযোগকে বিচারব্যবস্থার জন্যলজ্জাজনকবলেও মন্তব্য করেছেন।

অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানিয়েছেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে তদন্তের পরই এই মামলা করা হয়েছে এবং এটি রাজনৈতিক নয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ তদন্তের পর নিজের প্রথম মেয়াদে কোমিকে বরখাস্ত করেছিলেন ট্রাম্প। এরপর থেকেই তাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নেয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি