নতুন বাঁকে চীন–যুক্তরাজ্য সম্পর্ক, ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ করতে পারবেন ব্রিটিশরা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই চীনের দিকে কৌশলগতভাবে ঝুঁকছে যুক্তরাজ্য। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন, শিগগিরই ব্রিটিশ নাগরিকেরা ভিসা ছাড়া চীন সফরের সুযোগ পেতে পারেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা চীনে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই চীনের দিকে কৌশলগতভাবে ঝুঁকছে যুক্তরাজ্য। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন, শিগগিরই ব্রিটিশ নাগরিকেরা ভিসা ছাড়া চীন সফরের সুযোগ পেতে পারেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রাজেনেকা চীনে ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
এ ঘোষণার মাধ্যমে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের কাতারে যুক্ত হলো যুক্তরাজ্য। প্রায় আট বছর পর কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে গেলেন। চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে স্টারমার বেইজিংয়ে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে স্টারমার বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতিতে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি এবং ব্রিটিশ জনগণের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জরুরি। তিনি যুক্তরাজ্য–চীনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। জবাবে প্রেসিডেন্ট সি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন গতি আনার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠক শেষে স্টারমার জানান, ব্রিটিশ হুইস্কির ওপর শুল্ক হ্রাস এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ৩০ দিনের ভিসামুক্ত ভ্রমণ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, যদিও বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ ছাড়া ‘অনিয়মিত অভিবাসন’ ইস্যুতে নিরাপত্তা সহযোগিতাও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
চীনের রাষ্ট্রীয় বিবৃতিতে বলা হয়, একতরফাবাদ ও সুরক্ষাবাদের উত্থানের প্রেক্ষাপটে বহুপক্ষীয়তা ও মুক্ত বাণিজ্যে চীন ও যুক্তরাজ্য একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর পররাষ্ট্রনীতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের একের পর এক চীন সফর বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে স্টারমারের এই সফর ঘিরে হোয়াইট হাউসের কড়া নজর রয়েছে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি, সিএনএন