তদন্তে হস্তক্ষেপের ‘অধিকার’ ট্রাম্পের আছে, বললেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল তদন্তে প্রভাব রাখার ‘অধিকার ও দায়িত্ব’ রাখেন। ট্রাম্প তাঁর কথিত শত্রুদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যে চাপ সৃষ্টি করছেন, তার প্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার ব্ল্যাঞ্চ এই মন্তব্য করলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল তদন্তে প্রভাব রাখার ‘অধিকার ও দায়িত্ব’ রাখেন। ট্রাম্প তাঁর কথিত শত্রুদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যে চাপ সৃষ্টি করছেন, তার প্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার ব্ল্যাঞ্চ এই মন্তব্য করলেন।
গত সপ্তাহে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিস্তারিত মন্তব্যে ব্ল্যাঞ্চ বলেন, দেশে হাজারো চলমান তদন্তের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে এমন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম আছে, যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত বলে প্রেসিডেন্ট মনে করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটি তার অধিকার, বরং দেশের নেতা হিসেবে এটি তার দায়িত্বও।’
ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে বরখাস্ত করেন। মূলত ট্রাম্পের দাবি করা মামলাগুলোর ধীরগতি এবং ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়েই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছেন ২০১৬ সালের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের বিষয়টি তদন্ত করা কর্মকর্তারা, ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা এবং উদারপন্থী দাতা গোষ্ঠীগুলো।
তবে এসব তদন্তের অনেক ক্ষেত্রেই বিচারক ও গ্র্যান্ড জুরির বাধার মুখে পড়েছে বিচার বিভাগ। গত বছর এক ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প-সম্পর্কিত তদন্তে যুক্ত দুই কর্মকর্তা—জেমস কোমি ও লেটিটিয়া জেমসের বিরুদ্ধে আনা মামলা খারিজ করে দেন।
ব্ল্যাঞ্চ, যিনি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া চারটি ফৌজদারি মামলার তিনটিতে তার আইনজীবী ছিলেন, দাবি করেন, ট্রাম্প ‘ন্যায়বিচার চান’ এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইন ব্যবস্থার অপব্যবহার হয়েছে বলে মনে করেন।
নিজেকে স্থায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে ব্ল্যাঞ্চ সরাসরি কিছু বলেননি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ট্রাম্পের ওপর নির্ভর করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্য কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হলে এবং তাঁকে সরে যেতে বলা হলে তিনি বলবেন, ‘ধন্যবাদ, স্যার—আমি আপনাকে ভালোবাসি।’
তথ্যসূত্র: রয়টার্স