এইচ-১বি ভিসায় নতুন কড়াকড়ি, সামাজিক মাধ্যম যাচাই করবে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। ৩০ মার্চ থেকে এইচ-১বি ভিসা-সহ একাধিক নন-ইমিগ্রান্ট ভিসার আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। ৩০ মার্চ থেকে এইচ-১বি ভিসা-সহ একাধিক নন-ইমিগ্রান্ট ভিসার আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নতুন নিয়মে আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ‘পাবলিক’ বা উন্মুক্ত রাখতে হবে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের সময় আবেদনকারীর অনলাইন কনটেন্ট, কার্যক্রম এবং ডিজিটাল রেকর্ড পর্যালোচনা করবেন।
এই প্রক্রিয়ার আওতায় এ-৩, সি-৩ (গৃহকর্মী), জি-৫, এইচ-৩ (প্রশিক্ষণার্থী), এইচ-৪ (নির্ভরশীল), কে ভিসা (বাগ্দত্তা/দম্পতি), কিউ, আর, এস, টি, ইউ—এছাড়া এইচ-১বি, এফ, এম ও জে ক্যাটাগরির আবেদনকারীরাও পড়বেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, জাতীয় ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভিসা স্ক্রিনিংয়ে আরও বিস্তৃত তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ আবেদনকারীদের শনাক্ত করা সহজ হবে।
এর আগে ২০২৫ সালের জুনে শিক্ষার্থী ও এক্সচেঞ্জ ভিসায় এবং ডিসেম্বরে এইচ-১বি কর্মীদের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছিল।
এদিকে, সামাজিক মাধ্যম যাচাইয়ের পাশাপাশি বিদেশি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন শ্রম বিভাগ। এইচ-১বি, এইচ-১বি১, ই-৩ ও পার্ম প্রোগ্রামের আওতায় ‘প্রিভেইলিং ওয়েজ’ কাঠামো হালনাগাদ করা হলে গড় বার্ষিক বেতন প্রায় ১৪ হাজার ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডালাস বার্তা ডেস্ক