লাগার্ডিয়ায় বিমান-ফায়ার ট্রাক সংঘর্ষে নিহত পাইলট ও কো-পাইলট
যুক্তরাষ্ট্রের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানের সঙ্গে ফায়ার ট্রাকের সংঘর্ষে পাইলট ও কো-পাইলট নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী বিমানের সঙ্গে ফায়ার ট্রাকের সংঘর্ষে পাইলট ও কো-পাইলট নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
রোববার গভীর রাতে এয়ার কানাডার একটি আঞ্চলিক জেট অবতরণের সময় রানওয়েতে থাকা ফায়ার ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খায়। বিমানে ৭০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্ঘটনায় ককপিট বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অন্তত ৪০ জন যাত্রী ও ক্রুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হলেও অধিকাংশকে সোমবারের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফায়ার ট্রাকের দুই কর্মীও আহত হয়েছেন।
এটি গত তিন দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এই বিমানবন্দরে প্রথম প্রাণহানির ঘটনা বলে জানান কর্মকর্তারা।
মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ভ্রমণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, অন্য একটি বিমানের ত্রুটি সংক্রান্ত কল পেয়ে ফায়ার ট্রাকটি রানওয়ে অতিক্রম করছিল। এ সময় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার তাকে থামতে নির্দেশ দিলেও সংঘর্ষ এড়ানো যায়নি।
দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে বিমানবন্দরটি বন্ধ রাখা হয়। তদন্তের জন্য রানওয়ে বন্ধ থাকায় ফ্লাইট চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। পরে সোমবার বিকেলে আংশিকভাবে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়।
তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছে ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডাও তদন্ত দল পাঠিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি একে ‘গভীরভাবে মর্মান্তিক’ বলেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এ দুর্ঘটনায় বিমানবন্দরের আকাশ ও স্থল চলাচলের সমন্বয় নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠে এসেছে।
তথ্যসূত্র: ডব্লিউএফএএ