টেক্সাসে ৭ বছর ধরে ভিসা জালিয়াতি, ডালাসে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে প্রায় সাত বছর ধরে পরিচালিত এক বড় ভিসা জালিয়াতি চক্রের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফেডারেল প্রসিকিউটররা। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ভুয়া নথি ব্যবহার করে বিদেশিদের জন্য কাজের ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদন করা হতো।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে প্রায় সাত বছর ধরে পরিচালিত এক বড় ভিসা জালিয়াতি চক্রের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফেডারেল প্রসিকিউটররা। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ভুয়া নথি ব্যবহার করে বিদেশিদের জন্য কাজের ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদন করা হতো।
মামলার নথি অনুযায়ী, ডালাসভিত্তিক এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন আব্দুল হাদি মুরশিদ ও মুহাম্মদ সালমান নাসির। ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত সাত বছরের বেশি সময় ধরে এ জালিয়াতি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।
প্রসিকিউটরদের দাবি, বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজের সুযোগ করে দিতে তারা ভুয়া তথ্য দিয়ে আবেদন তৈরি বা জমা দিতে সহায়তা করতেন। এসবের মধ্যে ছিল H-1B ভিসা এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের EB-2 ভিসা ও EB-3 ভিসা ক্যাটাগরি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অনেক আবেদনে চাকরির অফার, কর্মপদ বা আবেদনকারীর যোগ্যতা সম্পর্কে ভুয়া তথ্য দেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তান, মিসর, ভারত, নেপাল ও যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের নামও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া মুরশিদের বিরুদ্ধে নিজের নাগরিকত্ব আবেদনেও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তিনি আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
তদন্তে অংশ নিয়েছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস, ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস ও ইউ.এস. ডিপার্টমেন্ট অব লেবার অফিস অব ইন্সপেক্টর জেনারেল।
আদালতের কার্যক্রম এখনো চলছে। সর্বশেষ আদেশ অনুযায়ী, মামলার চূড়ান্ত প্রি-ট্রায়াল শুনানি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া