টেক্সাসে স্মোকেবল হেম্প নিষিদ্ধ, বিপাকে নর্থ টেক্সাসের ছোট ব্যবসা
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে হেম্প শিল্পে বড় পরিবর্তন কার্যকর হচ্ছে, যা নর্থ টেক্সাসের বহু ছোট ব্যবসার ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে রাজ্যে স্মোকযোগ্য হেম্প ক্যানাবিস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে হেম্প শিল্পে বড় পরিবর্তন কার্যকর হচ্ছে, যা নর্থ টেক্সাসের বহু ছোট ব্যবসার ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে রাজ্যে স্মোকযোগ্য হেম্প ক্যানাবিস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত এসেছে ‘টেক্সাস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট হেলথ সার্ভিসেস’ (ডিএসএইচএস)-এর নতুন বিধিনিষেধ জারির পর। ফলে ইতোমধ্যেই ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ডালাসভিত্তিক ‘সিবিডি ফার্মহাউস’ সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে জানিয়েছে, নতুন নিয়মের কারণে তাদের ব্যবসা বন্ধ করতে হচ্ছে। একই ধরনের আশঙ্কায় রয়েছে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান।
ডালাস হেম্প কোম্পানির কর্মীরা জানান, ক্রেতারা নিয়ম কার্যকরের আগে থেকেই জানতে চাইছেন—দোকানটি চালু থাকবে কি না। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী শান ক্লডিও বলেন, ‘আমাদের খুব বেশি সময়ই দেওয়া হয়নি প্রস্তুতির জন্য।’ তাঁর মতে, নতুন নিয়ম তাদের ব্যবসার প্রায় ৩০ শতাংশে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।
নতুন বিধিনিষেধে লাইসেন্স ফি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে হেম্প উৎপাদন লাইসেন্সের খরচ ছিল প্রায় ২৫০ ডলার, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ডলারে। খুচরা বিক্রেতাদের নিবন্ধন ফিও ১৫৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ডলার করা হয়েছে।
এদিকে, হেম্প পণ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশাধিকার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। টেক্সাস পয়জন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে—ফেডারেল পর্যায়ে হেম্প-উৎপন্ন টিএইচসি বৈধ হওয়ার এক বছর পর—ক্যানাবিস-সম্পর্কিত বিষক্রিয়ার কল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল।
যদিও গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট আগের আইনসভা অধিবেশনে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিল ভেটো করেছিলেন, তিনি ডিএসএইচএসকে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের নির্দেশ দেন।
নিয়ম লঙ্ঘন করলে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ হাজার ডলার জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার লড়াইয়ে পড়েছে। তবে কিছু ব্যবসা বিকল্প পণ্য দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, নতুন এই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইও হতে পারে। তারপরও অনিশ্চয়তা কাটছে না—এই পরিবর্তনের প্রভাব কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: এনবিসি ৫