দেশ কীভাবে চলবে, তা ঠিক করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ
আগামী দিনে দেশ কীভাবে চলবে, তার দিকনির্দেশনা দিতেই গণভোট—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ‘হ্যাঁ’ বললে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
আগামী দিনে দেশ কীভাবে চলবে, তার দিকনির্দেশনা দিতেই গণভোট—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ‘হ্যাঁ’ বললে রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কার থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে বুধবার বিকেলে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে রংপুর বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমামরা অংশ নেন।
আলী রীয়াজ বলেন, গণভোট কোনো ব্যক্তিকে বেছে নেওয়ার ভোট নয়। এটি আগামী ৫ থেকে ২০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে দেশ কোন পথে চলবে, সেই সিদ্ধান্তের ভোট। জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলো যে সাম্য ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের অঙ্গীকার করেছে, তা বাস্তবায়নের পথ হিসেবেই গণভোট করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ কোনো একক ব্যক্তি বা সরকারের তৈরি নয়। সব রাজনৈতিক দলের আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতেই গণভোটের সিদ্ধান্ত এসেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক সংস্কারে জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়াই এর উদ্দেশ্য।
সংবিধান সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে আলী রীয়াজ বলেন, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের ক্ষমতা ও নির্বাচন কমিশন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে। ভবিষ্যতে দণ্ডিত অপরাধীকে ক্ষমা দিতে হলে ভুক্তভোগী পরিবারের সম্মতি প্রয়োজন হবে এবং নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ও স্বাধীন করতে কাঠামোগত সংস্কার আনা হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। পরে একই স্থানে আট জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
ডালাস বার্তা প্রতিবেদক