ক্যাপিটল হামলার এক মাস পর ট্রাম্পের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করেছিল জেপি মরগ্যান

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংক জেপি মরগ্যান চেজ ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর আতিথেয়তা সম্পর্কিত ব্যবসার ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয়। ট্রাম্পের করা ৫ বিলিয়ন ডলারের মামলার অংশ হিসেবে শুক্রবার প্রকাশিত নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

Feb 22, 2026 - 11:13
ক্যাপিটল হামলার এক মাস পর  ট্রাম্পের ব্যাংক হিসাব বন্ধ করেছিল জেপি মরগ্যান

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংক জেপি মরগ্যান চেজ ২০২১ সালের জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলার এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর আতিথেয়তা সম্পর্কিত ব্যবসার ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দেয়। ট্রাম্পের করা বিলিয়ন ডলারের মামলার অংশ হিসেবে শুক্রবার প্রকাশিত নথিতে তথ্য উঠে এসেছে।

নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ট্রাম্প অর্গানাইজেশনকে পাঠানো চিঠিতে ব্যাংকটি হিসাব বন্ধের সিদ্ধান্ত জানায়। তবে সেখানে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এক চিঠিতে বলা হয়, কখনও কখনওকোনো গ্রাহকের স্বার্থ আর জে.পি. মরগ্যান প্রাইভেট ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখায় সুরক্ষিত থাকে নাবলে ব্যাংক মনে করতে পারে।

২০২১ সালের জানুয়ারি ট্রাম্পসমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে হামলার পর একাধিক প্রতিষ্ঠান তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। এর মধ্যে ছিল তাঁর পক্ষে কাজ করা দুটি আইন সংস্থা এবং পিজিএ অব আমেরিকা, যারা নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে ট্রাম্পের গলফ ক্লাব থেকে ২০২২ সালের পিজিএ চ্যাম্পিয়নশিপ সরিয়ে নেয়।

জেপি মরগ্যানের একজন মুখপাত্র তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি। ব্যাংকটির পক্ষে থাকা আইন সংস্থা জোনস ডে-ও সাড়া দেয়নি। এর আগে ব্যাংকটি ট্রাম্পের মামলাকেভিত্তিহীনবলে দাবি করেছিল।

অন্যদিকে ট্রাম্পের আইনজীবী দলের একজন মুখপাত্র বলেন, চিঠিগুলো প্রকাশ পাওয়ায়প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পুরো অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে।তাঁর দাবি, ব্যাংকটি বেআইনিভাবে ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রাম্প, তাঁর পরিবার ব্যবসাগুলোকেডি-ব্যাংকিংকরেছে, যা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক চাপের মুখে তাঁকে আলাদা করে টার্গেট করে নিজেদের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে জেপি মরগ্যান।

শুক্রবার দাখিল করা এক আবেদনে জেপি মরগ্যান ট্রাম্পের মামলা মায়ামি ফেডারেল আদালত থেকে নিউইয়র্কে স্থানান্তরের অনুরোধ জানিয়েছে। ব্যাংকটির ভাষ্য, ‘এই বিরোধের সঙ্গে নিউইয়র্কের ব্যাপক সংযোগ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স