জানুয়ারিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পর যুক্তরাষ্ট্রের চাকরিবাজারে স্থিতিশীলতার আভাস
জানুয়ারিতে এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগের পর ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাকরি প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে আসতে পারে। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, শ্রমবাজার এখন তুলনামূলক টেকসই ও মাঝারি গতিতে ফিরছে।
জানুয়ারিতে এক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিয়োগের পর ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাকরি প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে আসতে পারে। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, শ্রমবাজার এখন তুলনামূলক টেকসই ও মাঝারি গতিতে ফিরছে।
ব্লুমবার্গের এক জরিপের গড় পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই মাসে ৬০,০০০ কর্মসংস্থান যোগ হওয়ার আশা করছেন অর্থনীতিবিদেরা, যা বছরের শুরুর তুলনায় অর্ধেকেরও কম। বেকারত্বের হার ৪.৩% এ স্থিতিশীল থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কয়েক বছর ধরে কর্মী সংকটে ভোগার পর ২০২৫ সালে নিয়োগে দ্রুত লাগাম টেনে ধরে প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলাফল—মন্দা ছাড়া ২০০৩ সালের পর সবচেয়ে দুর্বল পে-রোল প্রবৃদ্ধি। এতে ভোক্তাদের আস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে, যদিও এতদিন অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল ভোক্তা ব্যয়।
শ্রমবাজার দীর্ঘ সময় দুর্বল থাকলে ভোক্তা স্থিতিস্থাপকতা পরীক্ষার মুখে পড়বে-এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রকাশিত হতে যাওয়া জানুয়ারির খুচরা বিক্রির তথ্যও পরিষ্কার বার্তা নাও দিতে পারে, কারণ তীব্র শীত ও তুষারঝড়ে দেশজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটে।
অর্থনীতিবিদরা ধারণা করছেন, গাড়ি ও জ্বালানি বাদে খুচরা বিক্রি সামান্য বাড়তে পারে। মাসের শুরুতে জ্বালানির দাম পাঁচ বছরের সর্বনিম্নে নেমে গেলেও শেষে আবার বাড়ে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে গাড়ি বিক্রি কমেছে বলেও শিল্পতথ্যে ইঙ্গিত।
চাকরি ও খুচরা বিক্রির পাশাপাশি উৎপাদন ও সেবাখাতের দুটি জরিপে ব্যবসায়িক মনোভাব বোঝার চেষ্টা করবেন বিশ্লেষকেরা। ইনস্টিটিউট ফর সাপ্লাই ম্যানেজমেন্ট সোমবার (২ মার্চ) উৎপাদন সূচক এবং বুধবার (৪ মার্চ) সেবাখাতের সূচক প্রকাশ করবে।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড রিজার্ভ তাদের ‘বেইজ বুক’ প্রকাশ করবে, যেখানে দেশজুড়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ দেওয়া থাকবে।
তথ্যসূত্র: ব্লুর্মবার্গ