মার্কিন বিমান হামলার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ করে সচল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি

মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর বড় অংশ আবারও সচল হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর দ্রুত মেরামত ও খননকাজ চালিয়ে তেহরান দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

May 31, 2026 - 20:43
মার্কিন বিমান হামলার কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ করে সচল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি
যুদ্ধবিরতির পর দ্রুত মেরামত ও খননকাজ চালিয়ে তেহরান দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ছবি: রয়টার্সের সৌজন্যে

মার্কিন ইসরায়েলি বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলোর বড় অংশ আবারও সচল হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর দ্রুত মেরামত খননকাজ চালিয়ে তেহরান দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হামলায় অবরুদ্ধ হওয়া ৬৯টি সুড়ঙ্গ প্রবেশপথের মধ্যে ৫০টিই ইতোমধ্যে পুনরায় চালু করেছে ইরান। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, প্রবেশপথ অন্যান্য অবকাঠামোও মেরামত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘটনা প্রমাণ করে যে কেবল সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ ধ্বংস করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা স্থায়ীভাবে অকার্যকর করা সম্ভব নয়। গবেষক স্যাম লেয়ার বলেন, ইরানের হাতে এখনও বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় লঞ্চার জনবল থাকায় নতুন সংঘাত শুরু হলে তারা দ্রুত হামলা চালাতে সক্ষম হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শত শত মিটার গভীরে নির্মিত এসব ভূগর্ভস্থ স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন।

সাম্প্রতিক মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে ইরান ইতোমধ্যে ড্রোন উৎপাদন, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং সামরিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে। ফলে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি এখনও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হয়ে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিএনএন