ডালাসে ফ্লক ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ছে, বাড়ছে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ
ডালাসে ফ্লক সেফটি কোম্পানির ৬৫০টির বেশি লাইসেন্স প্লেট রিডার ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা যানবাহনের নম্বরপ্লেট ও বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। ডালাস পুলিশ বিভাগ বলছে, এই প্রযুক্তি অস্ত্র উদ্ধার, চুরি যাওয়া গাড়ি খোঁজা এবং অপরাধ তদন্তে সহায়তা করছে।
ডালাসে ফ্লক সেফটি কোম্পানির ৬৫০টির বেশি লাইসেন্স প্লেট রিডার ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা যানবাহনের নম্বরপ্লেট ও বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। ডালাস পুলিশ বিভাগ বলছে, এই প্রযুক্তি অস্ত্র উদ্ধার, চুরি যাওয়া গাড়ি খোঁজা এবং অপরাধ তদন্তে সহায়তা করছে।
এনবিসি ডিএফডব্লিউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডালাস পুলিশ প্রধান ড্যানিয়েল কোমো ক্যামেরাগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ গণনিরাপত্তা সরঞ্জাম হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এগুলো ডালাসে অপরাধ সমাধানে সহায়তা করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
তবে মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ২৫টি ফ্লক ক্যামেরা ভাঙচুর বা অপসারণ করা হয়েছে। শহর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেরামতে প্রায় আড়াই হাজার ডলার ব্যয় হয়েছে, তবে ফ্লক সেফটি বেশিরভাগ প্রতিস্থাপন খরচ মওকুফ করে দিয়েছে।
গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা নর্থ টেক্সাসের শহরগুলোকে ফ্লক সেফটির সঙ্গে চুক্তি শেষ করার আহ্বান জানাচ্ছেন। টেক্সাসের কংগ্রেসম্যান কিথ সেলফ একটি আইন প্রস্তাব করেছেন, যা ফেডারেল সংস্থাগুলোর লাইসেন্স প্লেট রিডারের তথ্য ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনবে।
লাইসেন্স প্লেট রিডার প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়ছে, সাধারণ নাগরিকদের ওপর ব্যাপক নজরদারি ও গণনিরাপত্তার মধ্যে সীমারেখা নিয়ে বিতর্কও ততই জোরালো হচ্ছে। সমর্থকরা এটিকে অপরাধ দমনের কার্যকর হাতিয়ার মনে করলেও সমালোচকরা মনে করেন এটি আইন মেনে চলা নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে।
সূত্র: এনবিসি ডিএফডব্লিউ