ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহুমাত্রিক সামরিক মহড়া

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দিনব্যাপী সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় মার্কিন নৌবহর ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।

Jan 28, 2026 - 01:13
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহুমাত্রিক সামরিক মহড়া
মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দিনব্যাপী সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনএর নেতৃত্বে একটি বড় মার্কিন নৌবহর ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের বিমান শাখা এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল জানায়, যুদ্ধবিমান মোতায়েন, ছড়িয়ে দেওয়া এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান ধরে রাখার সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য এইমাল্টি-ডে রেডিনেস এক্সারসাইজঅনুষ্ঠিত হবে। মহড়ার নির্দিষ্ট সময় স্থান জানানো হয়নি।

সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার, জনবল সামরিক সম্পদ দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানো এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে নমনীয় প্রতিক্রিয়ার প্রস্তুতিই এই মহড়ার লক্ষ্য। ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এর আগে সেন্টকম জানায়, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে রয়েছে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক। বহরটির নিরাপত্তায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসমৃদ্ধ একাধিক গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন রয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রনও ওই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে।

এক্সিওসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্রের একটিবিশাল নৌবহররয়েছে। তবে একই সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহী এবং যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

এদিকে এই সামরিক মোতায়েন মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি মিত্র দেশের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা ইরানের ওপর হামলায় তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেবে না। তবে মার্কিন বিমান বাহিনী বলছে, স্বাগতিক দেশের অনুমোদন নিয়েই এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখে সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান