এআই নিয়ন্ত্রণে রাজ্যগুলোর ক্ষমতা সীমিত করতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যার লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে রাজ্যগুলোর নিয়ন্ত্রণক্ষমতা সীমিত করা এবং ফেডারেল পর্যায়ে একটি একক নীতিকাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আদেশের উদ্দেশ্য হলো “কম বোঝার জাতীয় নীতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক এআই নেতৃত্ব ধরে রাখা ও আরও শক্তিশালী করা।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যার লক্ষ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে রাজ্যগুলোর নিয়ন্ত্রণক্ষমতা সীমিত করা এবং ফেডারেল পর্যায়ে একটি একক নীতিকাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আদেশের উদ্দেশ্য হলো “কম বোঝার জাতীয় নীতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক এআই নেতৃত্ব ধরে রাখা ও আরও শক্তিশালী করা।”
ওভাল অফিসে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ৫০টি রাজ্যের ৫০ রকম অনুমোদন প্রক্রিয়া থাকলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হবে। আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে একটি “এআই লিটিগেশন টাস্কফোর্স” গঠন করতে হবে, যার কাজ হবে প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সাংঘর্ষিক রাজ্য আইনগুলোকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা।
এছাড়া বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিককে এমন রাজ্য আইন চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেগুলো এআই মডেলকে “সত্য আউটপুট বদলাতে” বাধ্য করে—যা প্রশাসনের ভাষায় ‘ওক এআই’-এর উদাহরণ। এসব আইন বহাল রাখলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলো ফেডারেল তহবিল হারাতে পারে। একই সঙ্গে হোয়াইট হাউসের এআই বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেভিড স্যাকসকে রাজ্য আইনকে অগ্রাহ্য করতে পারে—এমন একটি ফেডারেল আইনের সুপারিশ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে কংগ্রেসে একই ধরনের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। ফলে সমালোচকদের মতে, নির্বাহী আদেশটি কার্যত বিদ্যমান অঙ্গরাজ্য নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার চেষ্টা। আমেরিকানস ফর রেসপনসিবল ইনোভেশনের পরিচালক ব্র্যাড কারসন বলেন, এটি অজনপ্রিয় নীতিকে চাপিয়ে দেওয়ার আরেকটি প্রচেষ্টা, যা আদালতে আটকে যেতে পারে।
তবে কেউ কেউ আবার যুক্তি দেখাচ্ছেন, চীনের সঙ্গে এআই প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে একক ফেডারেল মানদণ্ড জরুরি। সিনেটর টেড ক্রুজ বলেন, “চীন জিতলে তাদের নজরদারি ও কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণের মূল্যবোধ এআই শাসন করবে। আমরা চাই মুক্ত মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিস্বাধীনতার আমেরিকান মূল্যবোধ।”
তবে উভয় দিক থেকেই উদ্বেগ বাড়ছে। পরিবেশ, বিদ্যুৎ ব্যয়, ডেটা সেন্টারের প্রভাব ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যে এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণের দাবি জোরালো হচ্ছে। ডেমোক্র্যাট সিনেটর এড মার্কি একে “সিইও বিলিয়নিয়ার বন্ধুদের জন্য আগাম উপহার” বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, আদেশটি অঙ্গরাজ্যের নাগরিক সুরক্ষার ক্ষমতার ওপর আঘাত।
তথ্যসূত্র: এনবিসি ৫