ফোর্ট ওয়ার্থে মানবপাচার দমনে স্টিং অপারেশন, ২০ জন আটক
উত্তর টেক্সাসে মানবপাচার ঠেকাতে ফোর্ট ওয়ার্থে দুই দিনের আন্ডারকভার স্টিং অপারেশন চালিয়ে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টারান্ট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর। অনলাইনে যৌনসেবার বিজ্ঞাপনে সাড়া দেওয়া ক্রেতাদের টার্গেট করেই অভিযানটি পরিচালিত হয়।
উত্তর টেক্সাসে মানবপাচার ঠেকাতে ফোর্ট ওয়ার্থে দুই দিনের আন্ডারকভার স্টিং অপারেশন চালিয়ে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টারান্ট কাউন্টি শেরিফের দপ্তর। অনলাইনে যৌনসেবার বিজ্ঞাপনে সাড়া দেওয়া ক্রেতাদের টার্গেট করেই অভিযানটি পরিচালিত হয়।
শেরিফ দপ্তরের মানবপাচার ইউনিট, টেক্সাস ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটি এবং আর্লিংটন পুলিশের সদস্যরা ফোর্ট ওয়ার্থের এক হোটেলে অবস্থান নিয়ে পুরো অপারেশন চালান। আগে থেকেই আন্ডারকভার অফিসাররা নারীর ভূমিকায় অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিচ্ছিলেন। আইনের সংজ্ঞা মেনে সন্দেহভাজনদের কাছে পরিষ্কারভাবে যৌনসেবা ও নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করা হয়।
চুক্তি পাকা হলে হোটেলে পৌঁছামাত্রই একে একে গ্রেপ্তার করা হয় সন্দেহভাজনদের—কারও কারও আবার পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছিলেন একজন চার্চের সাইন-ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারপ্রেটার, কয়েকজন পরিবারের মানুষ এবং এমন একজনও ছিলেন যিনি একজন নারীকে ট্রাক স্টপে নিয়ে গিয়ে পাচারের পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ।
সবাইকে ফেলনি ‘সোলিসিটেশন অব প্রস্টিটিউশন’ অভিযোগে টারান্ট কাউন্টি জেলে পাঠানো হয়েছে; টেক্সাসে প্রথম অপরাধেই যার শাস্তি দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এখনো কেউ দোষী সাব্যস্ত হননি।
মানবপাচার ইউনিটের কমান্ডার কেভিন টার্নার বলেন, উত্তর টেক্সাসে বাণিজ্যিক যৌনতার চাহিদা এতটাই বেশি যে প্রতিদিনই এমন অপরাধ ঘটছে। তিনি জানান, পাচারকারীরা কিংবা ভুক্তভোগীরা—অনেকেই স্থানীয়ভাবে বেড়ে ওঠা মানুষ, তাই সমস্যাটি বহিরাগত নয়, বরং ঘরোয়া।
অভিযানে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে ননপ্রফিট ডেলিভারফান্ড। আর আরেক সংগঠন দ্য নেট গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে কাজ করছে। তাদের মতে, শুধু গ্রেপ্তার নয়—পুনর্মূল্যায়ন ও সহায়তাই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কমানোর মূল চাবিকাঠি।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ সামনে রেখে যৌনবাণিজ্য বাড়তে পারে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। টার্নার বলেন, “এগুলো আপনার আশেপাশের হোটেলেই ঘটে—এটাই আমরা দেখাতে চেয়েছি।”
তথ্যসূত্র: ফক্স ফোর