ইরানে ২০০০ পাউন্ডের ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা হামলা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে ২০০০ পাউন্ডের শক্তিশালী ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লক্ষ্য ছিল একটি বড় গোলাবারুদ ডিপো, যা মাটির গভীরে থাকা স্থাপনা ধ্বংসে ব্যবহৃত বিশেষ বোমা দিয়ে আঘাত করা হয়।
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ইসফাহানে ২০০০ পাউন্ডের শক্তিশালী ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লক্ষ্য ছিল একটি বড় গোলাবারুদ ডিপো, যা মাটির গভীরে থাকা স্থাপনা ধ্বংসে ব্যবহৃত বিশেষ বোমা দিয়ে আঘাত করা হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার ভিডিও প্রকাশ করে এর তীব্রতা নিশ্চিত করেছেন। হোয়াইট হাউস সূত্র বলছে, ৪–৬ সপ্তাহের মধ্যে সামরিক অভিযান শেষ করতে চান তিনি।
হামলার প্রতিবাদে কারাজ, তেহরান এবং আরদাবিল শহরে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন একই সঙ্গে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ১৯টি ড্রোন হামলার দাবি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানের নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় আঘাত হানা হয়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি সচল না হলেও যুদ্ধ থামানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প—যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হরমুজ প্রণালি অচল থাকলে তা ২০০ ডলার ছাড়াতে পারে, যা বৈশ্বিক শিল্প ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা দিতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তা—উভয়ের জন্যই বড় ঝুঁকি হয়ে উঠছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু, আল জাজিরা