স্টেশনে দায়িত্বে থেকেও উদযাপন, ডালাস ফায়ারফাইটারদের ক্রিসমাস
ক্রিসমাসে যখন নর্থ টেক্সাসের বেশিরভাগ পরিবারের ঘরে ঘরে উৎসব, তখন ডালাস ফায়ার স্টেশন ২৭–এর দমকলকর্মীরা ছিলেন ডিউটিতে। শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে গিয়ে তাঁরাই একে অন্যের ওপর ভরসা করেন—সহকর্মীরাই হয়ে ওঠেন তাদের পরিবার।
ক্রিসমাসে যখন নর্থ টেক্সাসের বেশিরভাগ পরিবারের ঘরে ঘরে উৎসব, তখন ডালাস ফায়ার স্টেশন ২৭–এর দমকলকর্মীরা ছিলেন ডিউটিতে। শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করতে গিয়ে তাঁরাই একে অন্যের ওপর ভরসা করেন—সহকর্মীরাই হয়ে ওঠেন তাদের পরিবার।
ক্রিসমাস ডেতেও স্টেশনটি ছিল পুরোপুরি কার্যকর। দীর্ঘ শিফটে কাজ করা ও জরুরি কলের জবাব দেওয়া চলেছে নিয়মমাফিক। পরিবার থেকে দূরে থাকলেও, স্টেশনেই নিজেদের মতো করে উৎসবের আবহ তৈরি করেন দমকলকর্মীরা।
স্টেশনের ভেতরে কাঠ কাটা, স্মোকার জ্বালানো আর একসঙ্গে রান্নার ব্যস্ততায় মুখর ছিল পরিবেশ। খাবারের তালিকায় ছিল হ্যাম, ম্যাক অ্যান্ড চিজ, সুইট পটেটো ক্যাসেরোল। একজন দমকলকর্মী নিয়ে আসেন নিজের প্রপিতামহীর পুরোনো দারুচিনির রোলের রেসিপি।
ফায়ার স্টেশনের এই দলটিকে অনেকেই বলেন ‘সেকেন্ড ফ্যামিলি’। সহকর্মীরা জানান, জীবনের বড় একটা সময় তারা একসঙ্গে কাটান—কাজের ভেতরে ও বাইরে পরস্পরের ওপর নির্ভর করেই।
এই ক্রিসমাসে দায়িত্বের ফাঁকে পাশে পেয়েছেন পরিবারকেও। কেউ কেউ হেলমেটের ভেতরে পরিবারের ছবি রাখা ছোট একটি ইনসার্ট ব্যবহার করছেন, যা জরুরি কলে বেরোনোর সময় নিরাপদে ফিরে আসার প্রেরণা দেয়।
দায়িত্বের কারণে ছুটির দিনে পরিবার থেকে দূরে থাকা কষ্টের হলেও, মানুষের কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর কাজটিই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ক্রিসমাস পার হলেও, ডালাস ফায়ার স্টেশন ২৭–এর দমকলকর্মীরা মানুষের বিপদে সাড়া দিতে প্রস্তুত। আর এটা তাঁরা করে থাকেন ঐতিহ্য, দলগত বন্ধন আর পরিবারের সমর্থন নিয়েই।
তথ্যসূত্র: এনবিসি ৫