টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্পকে ইউনেস্কোর ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে’র স্বীকৃতি

বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেস্কোর ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২০০৩ কনভেনশনের ২০তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সর্বসম্মতভাবে এই স্বীকৃতি দেয়।

Dec 10, 2025 - 21:53
টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্পকে ইউনেস্কোর ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে’র স্বীকৃতি
টাঙ্গাইলের তাঁতিদের অনবদ্য শিল্পকর্মের বৈশ্বিক স্বীকৃতি এটি। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের তাঁতিদের অনবদ্য শিল্পকর্মের বৈশ্বিক স্বীকৃতি এটি। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেস্কোরঅপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২০০৩ কনভেনশনের ২০তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদ মঙ্গলবার ( ডিসেম্বর) সর্বসম্মতভাবে এই স্বীকৃতি দেয়। এটি এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের ষষ্ঠ তালিকাভুক্তি।

সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান এবং ইউনেস্কো সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের জন্য অসামান্য গৌরবের বিষয়। দীর্ঘ দুই শতকের বেশি সময় ধরে টাঙ্গাইলের তাঁতিদের অনবদ্য শিল্পকর্মের বৈশ্বিক স্বীকৃতি এটি। টাঙ্গাইল শাড়ি বাংলাদেশের সকল নারীর নিত্য পরিধেয়, যা এই শাড়ি বুনন শিল্পের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।

অর্জনকে দেশের সব তাঁতি নারীদের প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছেযাদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা পরিশ্রম এই শিল্পকে আন্তর্জাতিক মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানিয়েছে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে লালিত এই কারিগরি ঐতিহ্যের বিশ্বস্বীকৃতি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষার প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে। দুই শতাব্দীর বেশি সময় ধরে টিকে থাকা টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্পের প্রতি এটি এক বড় সম্মান।

তথ্যসূত্র: বাসস